নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রতারণার মাধ্যমে ধারের ৪ কোটি ৫ লাখ আত্মসাতের অভিযোগে ডেভলপার ব্যবসায়ী হারুন অর রশিদের বিরুদ্ধে যশোর আদালতে মামলা হয়েছে। সোমবার শহরের অম্বিকা বসু লেনের বাসিন্দা ডাক্তার শামীম হোসেন বাদী হয়ে এ মামলা করেছেন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পলাশ কুমার দালাল অভিযোগটি আমলে নিয়ে আসামির প্রতি সমন জারির আদেশ দিয়েছেন। আসামি হারুন অর রশিদ শহরের বেজপাড়ার গয়ারাম সড়কের মৃত ডাক্তার এমএ বারীর ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীর আইনজীবী নব কুমার কুন্ডু।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, শামীম হোসেন সরকারি চাকরিজীবী ও চিকিৎসক। আসামি হারুন অর রশিদ ডেভলপার ও এক্সপোর্ট-ইমপোর্ট ব্যবসায়ী। একে অপরের পরিচিত। ব্যবসায়ীক প্রয়োজনে হারুন অর রশিদ শামীম হোসেনের কাছ থেকে বিভিন্ন সময় টাকা ধার নিতেন। ২০২৯ সালের ৫ জানুয়ারি থেকে ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসের মধ্যে বিভিন্ন সময়ে হারুন অর রশিদ স্টাম্পে সাক্ষর করে মো ১ কোটি ৬৮ লাখ, ২০২১ সালের ৩ জানুয়ারি থেকে ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি ১ কোটি ১৩ লাখ, ২০২২ সালের ২ জানুয়ারি থেকে ২০ ডিসেম্বরের মধ্যে ১ কোটি ২৪ লাখ টাকা ধার নেন। হারুন অর রশিদ ধারের ৪ কোটি ৫ লাখ টাকা চলতি বছরের ৪ আস্টের মধ্যে পরিশোধ করার কথা ছিল।
কিন্তু হারুন অর রশিদ ধারের টাকা পরিশোধ না করে ঘোরাতে থাকেন। গত ২৫ আগস্ট শামীম হোসেন বাড়িতে ডেকে এনে হারুন অর রশিদকে টাকা দেয়ার কথা বলেন। এ সময় হারুন অর রশিদ টাকা নেয়ার কথা অস্বীকার করে পরিশোধ করতে পারবেনা বলে জানিয়ে চলে যান। টাকা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে তিনি আদালতে এ মামলা করেছেন।

