আমিরুল ইসলাম জীবন, ঝিকরগাছা: আদালতের সিদ্ধান্ত অমান্য করে বসতবাড়ি নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে মন্টু সরদার নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
সে যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার শিত্তরদাহ গ্রামের মৃত কাশেম আলীর ছেলে। এঘটনায় উভয় পক্ষ আদালতে মামলা করেছে। জানা যায়, উপজেলার শিত্তরদাহ মৌজার হাল ৯০ দাগে পৈত্রিক সূত্রে মৃত ছাপের সরদারের ছেলে আহম্মদ আলী জমির মালিক ৫.৬৯৭ শতক কিন্তু তিনি একই গ্রামের জালালউদ্দীন ও তার স্ত্রী আনোয়ারা বেগমের নিকট বিক্রি করে সাড়ে ৮ শতক। দলিল সূত্রে তারা এই জমি মন্টু সরদারের কাছে বিক্রয় করে। অথচ একই দাগে পৈত্রিক সূত্রে মশিউর রহমান ১.৬৫৬ শতক ও বাবলুর রহমান ১.৫৪৭ শতক জমির মালিক। ঐ জমিতে মন্টু সরদার বসতবাড়ি নির্মাণ করতে গেলে মশিউর রহমান তার প্রাপ্ত জমির দাবী করলে উভয় পক্ষ দ্ব›েদ্ধ জড়ায়। স্থানীয়ভাবে শিত্তরদাহ পুলিশ ফাঁড়িতে বিষয়টি
নিয়ে একাধিকবার মিমাংসা করার চেষ্টা করা হলেও তা ব্যর্থ হয়। অবশেষে উভয় পক্ষ আদালতে মামলা
দায়ের করে। গত ১৪/০৯/২০২৩ ইং তারিখে যশোর মোকাম বিজ্ঞ যুগ্ন জেলা জজ অতিরিক্ত আদালত
বাদি মশিউর রহমানের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিবাদি মন্টু সরদারতে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য ২০
দিনের মধ্যে কারণদর্শানোর আদেশ প্রদান করেন। কিন্তু মন্টু সরদার আদালতের সেই নির্দেশ
অমান্য করে ঘর নির্মাণ করার চেষ্টা করছে এবং ১৯ সেপ্টেম্বর মিস্ত্রী দিয়ে কাজ করানো শুরু করলে
স্থানীয় পুলিশের সহযোগিতায় সেই কাজ বন্ধ করা হয়। এব্যাপারে মামলার বাদি মশিউর রহমান জানান, আমি পৈত্রিক সূত্রে ১.৬৫৬ শতক জমির মালিক। কিন্তু মন্টু সরদার অন্য অংশিদারের নিকট থেকে ভূয়া দলিল করে সমস্ত জমি দখল করে বাড়ি নির্মাণ করছে। বিষয়টি আদালতে মামলা রায়ে অপেক্ষায় আছে। রায়ের পরে সে জমিতে বাড়ি নির্মাণ করলে
তো আর কোন সমস্যা থাকবে না! অথচ সে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে আবারও বাড়ি
নির্মাণ করার চেষ্টা করছে। মামলার বিবাদি মন্টু সরদারের মোবাইল ফোন (০১৯২৬৮৭৭৫৬২) নম্বরে কথা বলার চেষ্টা করলে তা বন্ধ পাওয়া যায়।

