শুক্রবার, ১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৭শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

মণিরামপুরে ‘ওয়ারিশ সনদ’ জালিয়াতি, ছেলেকে মেয়ে বানানোর চেস্টা

আরো খবর

 মণিরামপুর প্রতিনিধি:যশোরের মণিরামপুর পৌরসভা থেকে ওয়ারিশ কায়িমি সনদ প্রদানে ব্যাপক দুর্নীতি ও জালজালিতির অভিযোগ উঠেছে ৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। তাঁর স্বাক্ষরিত এক সনদে দেখা যায়. তিনি ছেলেকে মেয়ে বানিয়ে প্রশ্ন বিদ্য করেছেন। একই সাথে বাদ দিয়েছেন প্রকৃত ওয়রিশদের নাম। এব্যাপারে ওই কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে আলাদলতে মামলা দয়ের হয়েছে। আদালত মামলাটি  আমলে নিয়ে পি বি আই কে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
 জানায়, মণিরামপুর পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের স্থায়ী বাসিন্দা  মো: শহিদুল ইসলাম মহলদার ২ স্ত্রী, ১পুত্র ও ৩ কন্যা রেখে ২০২০ সালে  ২১ মে   মৃত্যুবরণ করেন । গত  ২০ ফেব্রুয়ারি কাউন্সিলর বাবুলাল চৌধুরীর দেয়া সনদে দেখা যায় শহিদুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী রুমিছা বেগমের নাম বাদ দেয়া হয়েছে এবং তাদের একমাত্র পুত্র  মোঃ শাহাজান শাকিলের নামের আগে মোছা:বসিয়ে লিখেছেন মোছা:শাহাজান আলী।  যার স্মারক নং মণিঃ/পৌরঃ ওয়ারিশ-(৩৭৫)/৪-৩৬/২০২২- ১৭৪।
 জানা যায়, মৃত শহিদুল ইসলামের ঔরসে ১ম স্ত্রী মরিয়ম বেগমের ১ কন্যা রূপালী বেগমএবংমৃত  এবং ২য় স্ত্রী মোছা:রুমিছা বেগমের   ১ পূত্র ও ২ কন্যা সন্তান রয়েছে। তারা হলেন,মোঃ শাহাজান শাকিল,মোছাঃ শিউলী বেগম ও মোছাঃ শিল্পী খাতুন।
সরকারি বিধি অনুযায়ী ওয়ারিশ সনদ নিতে গেলে ওয়ারিশ গনের ভোটার আইর্ডি কার্ড অথবা জন্ম নিবন্ধনের  সাথে মিল করে  নাম, ঠিকানাসহ আইডি কার্ডের  নাম্বার দিয়ে ওয়ারেস সনদ দিতে হয়।
এসব নিয়ম নীতি তোয়াক্কা না করেই কাউন্সিলর বাবুলাল চৌধুরী জাল জালিয়াতি করে ভুয়া ওয়ারিশ সনদ প্রদান করেন। প্রদানকৃত  ওয়ারিশ সনদে দেখা যায়,১ম স্ত্রী, ১পুত্র ও ৩ কন্যার নাম। ২য় স্ত্রীর নাম বাদ দেয়া হয়েছে। অথচ মণিরামপুর পৌরসভা কর্তৃক প্রদত্ত মো:শহিদুল ইসলামের মৃত্যু সনদে দেখা যায় দুই স্ত্রীর নাম।
 এ বিষয়ে শহিদুল িইসলামের পুত্র  শাহাজান শাকিলের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন,কাউন্সিলর বাবুলাল চৌধুরী তদন্ত বাদেই এই ভুয়া ওয়ারিশ সনদ দিয়েছেন। ”আমার কাছে কোন কিছুই জানতে বা জিজ্ঞাসা করেননি”।ওয়ারিশ সনদে আমার নামের আগে মোছা:লাগিয়ে দিয়েছেন এবং নামের শেষে আলী, আমার নাম মো:শাহাজান শাকিল আর ওয়ারিশ সনদে দিয়েছেন মোছা:শাহাজান আলী। আমার নামটাই বদলায়ে দিয়েছেন, আমাকে মেয়ে বানোনোর চেষ্টা করেছেন কাউন্সিলর।
এ ব্যাপারে কাউন্সিলর বাবুলাল চৌধুরী বলেন,আমার জানা মতে আমি কোন ওয়ারিশ কায়েম দেয়নি।
  ওয়ারিশ সনদে আপনার স্বাক্ষর আছে এমন প্রশ্নে বলেন, দেখতে হবে ওয়ারিশ কায়িমি দিছি কিনা।
  এবিষয়ে কাউন্সিলর ও প্যানেল মেয়ের–১ মো:কামরুজ্জামানের ০১৭১৯-৯১৫০০৮ এই নম্বারে একাধিক ফোন করলেও রিসিভ করেন নি।
 মণিরামপুর পৌরসভার  মেয়র কাজী মাহমুদুল হাসান বলেন, ফাইল দেখতে হবে, ফাইল না দেখে কিছু বলতে পারবো না।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ