ফারুক রহমান, সাতক্ষীরা:ঘূর্ণিঝড় ও দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবেলায় সাতক্ষীরা জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থপনা কমিটির সভায় সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির বলেছেন ঘূর্ণিঝড় ‘হামুন’ মোকাবিলায় সাতক্ষীরায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে প্রায় ৩’শ সাইক্লোন শেল্টার। প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে প্রায় পাঁচ হাজার স্বেচ্ছাসেবককেও। যাতে পরিস্থিতি অনুযায়ী ঝুঁকিপূর্ণ লোকজন সেখানে আশ্রয় নিতে পারেন। আমাদের লক্ষ্য থাকবে কি ভাবে ক্ষয়ক্ষতি কমানো যায়। সকল সাইক্লোন সেন্টার প্রস্তুতি রাখা হবে। ট্রলারগুলো রিকুইজেশন করা হবে। তারা মানুষের পরাপার করবে।
জেলা প্রশাসক আরও জানান, শ্যামনগর ও আশাশুনি উপজেলায় পাঁচ হাজার স্বেচ্ছাসেবককে প্রস্তুত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সতর্ক করা হয়েছে। শুকনো খাবার ও ওষুধ প্রস্তুত রাখা হয়েছে জানিয়ে জেলা প্রশাসক বলেন, প্রস্তুত রয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ, ফায়ার সার্ভিস, পুলিশ, নৌ বাহিনী, কোস্টগার্ড।
সাতক্ষীরা জেলা আবহাওয়া বিষয়ক কর্মকর্তা জুলফিকার আলী, জানান, বর্তমানে সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড়ের যে গতিপথ আছে তা পরিবর্তন না হলে আপাতত সাতক্ষীরা উপকূলে আঘাত হানার আশঙ্কা নেই। তবে, ঝড়ের প্রভাবে দমকা বাতাস, ভারী বৃষ্টি ও নদীতে পানির উচ্চতা বাড়তে পারে।
মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) বেলা ১২টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রেজা রশিদ, সহকারী পুলিশ সুপার সজিব খান, জেলা দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল বাসেত, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আছাদুজ্জামান বাবু, পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র কাজী ফিরোজ হাসান, রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ ফিরোজ কামাল (শুভ্র), সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা তুজ জোহরা জেলা তথ্য অফিসার জাহারুল ইসলাম, নির্বাহী প্রকৌশলী পানি উন্নয়ন অধিদপ্তরের মো: সালাউদ্দিন প্রমুখ।
এসময় জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, সকল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শেখ মঈনুল ইসলাম মঈন।

