ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি মণিরামপুর:যশোরের মণিরামপুরের মধুপুর বাহাদুরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহসীন হোসেনকে আসামি করে আদালতে মামলা দায়ের হয়েছে ।হোগলাডাঙ্গা গ্রামের মৃত আব্দুল কাদেরের ছেলে কামরুল ইসলাম বাদী হয়ে ৩১ অক্টোবর মণিরামপুর সহকারী জজ আদালতে এই মামলা করেছেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, আব্দুল কাদেরের ছেলে কামরুল ইসলাম মধুপুর বাহাদুপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির একজন অভিভাবক সদস্য।
গত ১০ অক্টোবর বিদ্যালয়ের অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহসীন হোসেনকে ম্যানেজিং কমিটি সাময়িক বরখান্ত করে।
গত ১০ অক্টোবর বাদীর বসত বাড়িতে গিয়ে ঘুম থেকে ডেকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ৩টি সাদা কাগজে জোরপূর্বক স্বাক্ষর করতে বলে। স্বাক্ষর করতে রাজি না হওয়ায় অস্ত্রের মুখে খুন যখমের ভয় ভীতির প্রদর্শন করে কামরুল ইসলামকে ইচ্ছার বিরুদ্ধে ৩টি সাদা কাগজে স্বাক্ষর করে নেয়। পরবর্তীতে দেশীয় অস্ত্র প্রদর্শন করিয়া খুন যখমের ভয় ভীতি দেখাইয়া ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
মামলার বিবাদী বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহসীন হোসেন বলেন,বিদ্যালয়ের নিয়োগ সংক্রান্ত ঝামেলার কারণে এসব করছেন বিদ্যালয়ের সভাপতি। বাজার থেকে কিনে আনা ভুয়া রেজুলেশন খাতায় অভিভাবক সদস্যদের জাল স্বাক্ষর করে আমাকে বহিষ্কার করে। যা মণিরামপুর উপজেলা প্রশাসন অবগত আছেন। আমি বহিষ্কার ছিলাম না।আমি নিয়মিত স্কুল করি। আর যে কাগজে জোর পূর্বক স্বাক্ষরের কথা বলা হচ্ছে সেটা সে নিজেই পড়ে স্বাক্ষর করেছেন তখন বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন।
এ বিষয়ে সভাপতি শিমুল গাজী জানান, বেশ কয়েকটি অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় মহাসীন হোসেনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। যার কপি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহা-পরিচালক, যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, যশোর জেলা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিদর্শক, যশোর জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার, মনিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, মনিরামপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর প্রদান করা হয়েছে।
জেলা শিক্ষা অফিসার মো. মাহাফুজুল হোসেন বলেন, সাময়িক বরখাস্তের অনুলিপি পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

