মোরেলগঞ্জ প্রতিনিধি:শুক্রবার রাত আনুমানিক ১০.৩০ মিনিটে মোরেলগঞ্জ ফেরি থেকে মোবাইলে ভিডিও কলে কথা বলার এক পর্যায় পা ফঁসকে নদীতে পরে গিয়ে ডুবে যাওয়া বরযাত্রী ফজলুল হকের (৭০) লাশ উদ্ধার করেছে মোরেলগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। মৃত ফজলুল হক পার্শ্ববর্তী ইন্দুরকানি উপজেলার জেন্নাত আলী শেখের ছেলে।
মৃত ফজলুল হকের ছেলে বলেন, আমার শ্যালকের বিয়ে উপলক্ষে বরযাত্রী যাবার পথে ফেরি পারাপারের সময় আমার বাবা মোবাইলে কথা বলতে বলতে পা ফঁসকে নদীতে পড়ে যায়।তাৎক্ষণিক ভাবে আমি নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়লেও তীব্র স্রোত থাকায় বাবাকে ধরতে পারি নি।
পরে স্থানীয়রা মোরেলগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেয়। খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার তৎপরতা চালায়। নদীতে প্রচণ্ড স্রোত থাকায় উদ্ধার কাজ ব্যাহত হয়।
শনিবার সকালে মোরেলগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের একটি চৌকস টিম ও খুলনা থেকে আগত ডুবরি দল এবং কোস্টগার্ড যৌথ ভাবে নদীতে প্রায় ৯ ঘণ্টাব্যাপী তল্লাশি চালিয়েও উদ্ধার করতে পারে নি ফেরি থেকে পরে যাওয়া ফজলুল হককে।
পরে সোমবার (১১ ডিসেম্বর) রাত ২.৪৫ মিনিটে মোরেলগঞ্জ ফেরিঘাটে একটি লাশ ভাসতে দেখে মোরেলগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তাৎক্ষণিকভাবে মোরেলগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের কর্মকতা প্রবীর কুমার দেবনাথের নেতৃত্বে একটি চৌকস টিম লাশটি উদ্ধার করে এবং ভাসমান লাশটি ফজলুল হকের(৭০) এটিও নিশ্চিত করেন।

