কেশবপুর প্রতিনিধি:কেশবপুর পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের কম্পিউটার প্রদর্শক ফারুক হোসেন জাকারিয়ার বিরুদ্ধে শিক্ষাগত সনদ জালিয়াতিসহ নিয়োগ সংক্রান্ত কাগজপত্রের গড়মিল পেয়েছে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর। ফারুক হোসেন জাকারিয়ার উচ্চতর স্কেলের আবেদন যাচাই-বাছাই করতে গিয়ে কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে কর্মকর্তাদের নজরে আসে তার জাল জালিয়াতির বিষয়টি ।
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর সহকারী পরিচালক সাইফুল ইসলামের সাক্ষরিত চিঠির সূত্রে জানা গেছে, ফারুক হোসেন জাকারিয়ার শিক্ষাগত সনদ জালিয়াতিসহ সংশ্লিষ্ঠ পদে তার নিয়োগ ব্যাপক তঞ্চকতার আশ্রয় নিয়েছেন। যার তার কাগজ পত্র যাছাইয়ে ধরা পড়েছে। তার বিরুদ্ধে মোট ৫ টি অভিযোগ আনা হয়েছে। এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে যশোরের আরো কয়েক জন শিক্ষক ও কম্পিউটার প্রদর্শকদের বিরুদ্ধে। তার মধ্যে রয়েছে কেশবপুরের এসএসজি বরণডালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের রবিউল ইসলাম, একই বিদ্যালয়ের ইউনুস আলী, নওয়াপাড়া পাইলট বালিকা বিদ্যালযের মৃদুল মন্ডল ও শার্শা বুরুজবাগান পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খালেদা আক্তার খান।
কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে জারি করা এ সংক্রান্ত পত্রে বলা হয়েছে উল্লেখিত অভিযোগ সমুহের ভিত্তিতে তাদের উচ্চতর এমপিও এর আবেদন নির্দেশেক্রমে নথিভুক্ত করা হয়েছে।
কেশবপুর উপজেলার ভালুকঘর গ্ৰামের আব্দুল করিম গাজীর ছোট ছেলে ফারুক হোসেন জাকারিয়া। এলাকায় তিনি ফারুক হোসেন জাকারিয়া নামেই পরিচিত। প্রাথমিক শিক্ষা থেকে মাধ্যমিকের সনদ পর্যন্ত তার নাম ঠিক থাকলেও পরর্বতিতে কিভাবে ফারুক হোসেন হলেন তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
তার গ্রামের বাসিন্দা আলী হাসান জানান,বির্তকিত এই জাকারিয়ার বিরুদ্ধে গরীবের চাল আত্নসাত,নিয়োগ বানিজ্য এবং নারী কেলেংকারীসহ বহু অভিযোগ রয়েছে। যা বিভিন্ন সময়ে গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়। বর্তমানে নিয়োগ সংক্রান্ত একটি চেক জালিয়াতির মামলা আদালতে বিচারাধীন আছে। এসব অভিযোগের কারণে তিনি প্রতিষ্ঠান থেকে কয়েকবার সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন।

