নিজস্ব প্রতিবেদক:যশোর-৫ মণিরামপুর আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আমজাদ হোসেন লাভলু ও হুমায়ুন সুলতান এবং জেলার ছয়টি আসন থেকে জাকের পার্টির ৫ জনসহ মোট ৭ প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। এছাড়া নির্বাচন কমিশন (ইসি) থেকে বাতিল হয়েছে আরো দু’জন প্রার্থীর।
রোববার মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী জাকের জাকের পার্টির নেতারা একযোগে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নেন। প্রত্যাহারের পর নেতারা দাবি করেন, নির্বাচনে ভোটারদের কোন আগ্রহ নেই। যে কারণে তারা নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।
এদিকে যশোর-৫ মণিরামপুর আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আমজাদ হোসেন লাভলু ও হুমায়ুন সুলতান তাদের মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করেছেন। প্রার্থীরা রোববার বিকেলে জেলা রির্টানিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের আবেদন জমা দেন।
প্রত্যাহার করা প্রার্থীরা হলেন, যশোর-১ (শার্শা) আসনে মোঃ সবুর খান, যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে, মোঃ সাফারুজ্জামান, যশোর-৩ (সদর) আসনে মোঃ মহিদুল ইসলাম, যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর) আসনে লিটন মোল্যা, যশোর -৬ (কেশবপুর) আসনে মোঃ সাইদুজ্জামান।
যশোর-৩ আসনের প্রার্থী মহিদুল ইসলাম বলেন, যশোরের ৬টি সংসদীয় আসনেই জাকের পার্টি প্রার্থী দিয়েছিলো। যশোর-৫ আসনের প্রার্থী মো: হাবিবুর রহমান মনোনয়ন যাচাই বাছাই বাতিল হয়ে যায়। বাকী ৫ আসনের প্রার্থীরা আজ কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত মতে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিয়েছি। তিনি আরো বলেন, এ সরকার ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকলেও নির্বাচনের জন্য লেভেল প্লেয়ারিং ফিল্ড তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে। আমরা ভোটারদের কাছে গিযয়েছি। তাদের ভোটের কোন আগ্রহ নেই। এমন পরিস্থিতিতে আমাদের দল নির্বাচনে অংশ না নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এদিকে, যশোর-৪ বাঘারপাড়া-অভয়নগর-বসুন্দিয়া আসনে বাতিল হওয়া মনোনয়ন ফিরে পেতে আওয়ামী লীগ প্রার্থী এনামুল হক বাবুলের করা আপিলের বিষয়ে আজও উচ্চতর আদালত কোনো সিদ্ধান্ত দেয়নি। ফলে তার মনোনয়ন ও নির্বাচন অনেকটা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। যশোর-৩ সদর আসনে জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলনের মনোনয়ন ফিরে পাওয়ার আপিল ১৫ ডিসেম্বর বাতিল করে দিয়েছে ইসি।

