নিজস্ব প্রতিবেদক:চাদাদাবি, জবরদখল ও হুমকির অভিযোগে যশোর সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন বিপুলসহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার মেসার্স নদী বাংলা রিয়েল এস্টেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে এ মামলা করেছেন। জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইমরান আহম্মেদ অভিযোগটি এজাহার হিসেবে গ্রহণ করার আদেশ দিয়েছেন কোতয়ালি থানার ওসিকে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীর আইনজীবী রুহিন বালুজ।
অপর আসামিরা হলো, উপশহর বাবলাতলা এলাকার বাসিন্দা এসএম মোস্তাফিজুর রহমান, পুরাতনকসবা পাওয়ার হাউজপাড়ার আব্দুল হামিদ, পুরাতনকসবা মশিউর রহমান সড়ক এলকার বাসিন্দা নুর আলম ও পুরাতনকসবা পুলিশ লাইন এলাকার আব্দুল হাই শাহাবুদ্দীন।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, আসামি আব্দুল হামিদ, নুর আলম ও আব্দুল হাই শাহাবুদ্দিন শহরের গাড়িখানা রোডের ৫ শতক জমির মালিক। এজমিতে তারা বহুতল ভবন নির্মানের জন্য আমমোক্তার নামার মাধ্যমে মেসার্স নদী বাংলা রিয়েল এস্টেট লিমিটেডের কাছে অস্থান্তর করে। চুক্তি অনুযায়ী এ ভবনের ৪০ শতাংশ ফ্লাটের মালিকানা পাবে ওই তিনজনসহ তার শরিকেরা।
ভবনের ৫তলা পর্যন্ত নির্মাণ শেষে হলে আসামিদের প্রাপ্য অনুযায়ী ফ্লাট বুঝে দেয়া হয়। ৬ষ্ঠ তলার কাজ শুরু করলে হামিদ, আলম ও তাই অপর দুই আসামির সহযোগীতা নিয়ে কাজ বন্দ করে দেয়। এরপর আসামিরা কোম্পানির প্রাপ্ত ফ্লাট বিক্রি করতে বাধা দেয়। ২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি আসামি ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাহাঙ্গীর আলমকে ডেকে নদী বাংলা কাশেম টাওয়ারের নিচ তলায় নিয়ে আসামি বিপুল এক কোটি টাকা চাদা দাবি করে। চাদার টাকা না দেয়ায় আসামিরা পরিকল্পিত ভাবে ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে ৪র্থ তলার সম্পর্ণ অংশ দখল এবং আসামি বিপুল অফিস খুলে বসে। এরপর নানা দেনদরবার করে কোন লাভ হয়নি।
২০২৪ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি বিপুল ঢাকা রোড ব্রিজ সংলগ্ন ঈদগাহ মাঠে দেখা করতে বলে। সেখানে আসামি তার আড়াই কোটি টাকার সম্পদ উদ্ধারে এক কোটি টাকা চাদা না দিলে ভবনের আশেপাশে গেলে খুন-জখম করবে বলে হুমকি দেয়। বিষয়টি মীমাংসায় ব্যর্থ হয়ে তিনি আদালতে এ মামলা করেছেন।

