শুক্রবার, ১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৭শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

কেশবপুরে তিন ফসলি জমিতে বেড়েছে পান চাষ

আরো খবর

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি:
পান চাষে খরচের তুলনায় অধিক লাভজনক হওয়ায় যশোরের কেশবপুরে প্রান্তিক চাষীরা তিন ফসলি জমিতে এখন ধান ও পাটের বদলে পান চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছে। একবিঘা জমিতে একটি পানের বরজ গড়ে তুলতে সময় লাগে প্রায় ১ বছর। আর এই ১ বছরে খরচ হয় এক থেকে দেড় লাখ টাকা। প্রথম বছরে বেশী খরচ হয়। একবার খরচ করে উঠতে পারলে তার সুফল পাওয়া যায় প্রায় ৮/১০ বছর ধরে।

এককালিন খরচের পরবর্তী বছরে কোন সমস্যা না হলে খরচ পুশিয়ে দ্বিগুন লাভের সম্ভবনা থাকে। তাই কেশবপুরের চাষীরা এখন পান চাষের দিকে ঝুকে পড়েছেন।

সরোজমিন ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার পাঁজিয়া, বেলকাটি, গড়ভাঙ্গা, মাদারডাঙ্গা, কাকিলাখালী, কোমরপুর, সাতবাড়িয়া, , নারানপুর, টিটা মোমিনপুর ভেরচি,নারায়রপুর কাটাখালি, আলতাপোল,আড়–য়া কলাগাছিসহ বিভিন্ন গ্রামের অধিকাংশ কৃষক এখন পানের বরজ করে তা পরিচর্চায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।

কোমরপোল গ্রামের আবুল কালাম বলেন, আমি পান চাষ করে অন্য ফসলের থেকেও বেশা লাভবান হয়েছি। এই পান চাষকে আমি অন্য ফসলের থেকে বেশী প্রাধান্য দিচ্ছি। কাকিলাখালী গ্রামের পান চাষি শংকর দাস বলেন, ধান সহ অন্য ফসলের তুলনায় পান চাষে লাভ্যাংশ অনেক বেশী, সে জন্য পান চাষকে আমি অন্য চাষের থেকে প্রাধান্য দিয়ে দীর্ঘ্য দিন ধরে এ চাষে নিয়োজিত আছি। টিটা বাজিতপুর গ্রামের মতিয়ার রহমান বলেন, আমি ৪০ শতক জমিতে পান চাষ করে আমার সংসারে সচ্ছলতা ফিরে এসেছে।

বিশ্বায়নের আগ্রাসী থাবার ভেতরেও পান সুপারির ব্যবহার মোটেও না কমে বরং বেড়েছে। কিন্তু ভীতির ব্যাপার হচ্ছে পান চাষীরা অনেকেই পান চাষের জন্য ব্যবহার করছে উচ্চ মাত্রার কীটনাশক। যদিও সবজি চাষে কীট নাশকের ব্যবহার আমরা বেশ আগে থেকে শুরু করেছি। তবুও কিছুটা হলেও নিরাপদ এ কারনে যে, সবজি আমরা আগুনে জালিয়ে রান্না করে খাই। কিন্তু পানের ব্যবহারতো সরাসরি হয়। বোটা থেকে ছাড়িয়েই ভক্ষন। এই পানে যদি উগ্রবিষ ব্যবহার করা হয়।

এ বিষয়ে পান চাষিদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, পোকার আক্রামন থেকে রক্ষা পেতে হালকা বিষ ব্যবহার করা হচ্ছে ।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ