বেনাপোল প্রতিনিধি:
যশোরের শার্শা ও বেনাপোলে পুরোদমে শুরু হয়েছে বোরো ধান কর্তনের কাজ। কৃষকের কাটছে ব্যাস্ত সময়। প্রচন্ড গরমকে উপেক্ষা করেই জীবিকার তাগিদে মাঠে কাজ করছেন শ্রমিকেরা।
উপজেলা জুড়ে এবার ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। তার্গেট অতিরিক্ত ধানচাষ হয়েছে শার্শা বেনাপোলে।। তবে কৃষকেরা ধানের ফলন ভাল পেলেও দাম কম থাকায় খরচ পোষাতে হিমশিম খাচ্ছেন চাষীরা।ধানের দাম বৃদ্ধির দাবী জানান তারা।
কৃষক আরমান আলী ও সমির গাজি জানান এবার ধানের ফলন হয়েছে ভার প্রতিবিঘায় ফলেছে ২২থকে ২৮মন ধান। তবে ধানের দাম কম দিচ্ছেন ব্যাবসযিরা। ফলো লোকসানের মুখে পড়ছেন তারা।
শ্রমিকেরা জানান এবার সাড়ে ৫হাজার টাকার বিনিময়ে প্রতিবিঘা জমির ধান কাটা বাধা ও ঝাড়ায়ের কাজ করছেন তারা। প্রারিশ্রমিক আরো বৃদ্ধির দাবী জানান তারা।
তবে ব্যবসায়ি নেতা নাসির উদ্দিন ও লাবলু বিশ্বাস বলেন ধানের মান ও মোটা চিকন ভেদে ক্রয় বিক্রয় করছেন তারা। মোকামের দাম অনুযায়ি দর পান চাষিরা।
তবে সরকারি ভাবে ধান ক্রয়ে বিভিন্ন নীয়মের যাতাকলে বন্ধি থাকায় কৃষকেরা পাচ্ছেনা কাঙ্খিত দাম।
উপজেলা কৃষিঅফিস সুত্রে জানায়.চলতি বোরো মৌসুমে যশোরের শার্শা উপজেলায় ৫৬হাজার হেক্টর জমিতে ধান চাষের লক্ষমাত্রা নিয়ে ৬২হাজার হেক্টর জমিতে হয়েছে বিভিন্ন জাতের ধান চাষ।। বাড়ছে চাষ। তবে কৃষি জমি কমে যাওয়ায় আগামীতে চাষ কমে যাওয়ার শংকায় কৃষি বিভাগ। তবে এবার আবহাওয়া ভাল থাকায় ফলন হয়েছে ভাল। চলছে কর্তন ও মাড়ায়ের কাজ। কৃষক ও স্থানীয়রা জানান এবার ধান চাষে তেল সার সহ শ্রমিকের মুজুরী বৃদ্ধিতে খরচ গেছে বেড়ে। ১১শ থেকে১২শ টাকা মনপ্রতি বিক্রি হচ্ছে ধান। ফলে ফলন ভাল হলেও খরচ বাদে ধান চাষে লাভবান হচ্চেনা তারা। এজন্য ধানের দাম বৃদ্ধিতে সরকারের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন এলাকার কৃষকেরা।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রতাপ কুমার মন্ডল জানান এবার ধানের দাম ভাল পাওয়াসহ বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষি বিভাগ। সরকারি বাবে বেধে দেওয়া দামে ধান বিক্রিতে কৃষকের উৎসাহ ও সহযোহিতা দিচ্ছেন তারা। বাজার মনিটরিং করছে কৃষি বিভাগ। ফলন ভাল হওয়ায কৃষকেরা লাভের মুখ দেখবেন বলে আশা করেন তিনি।

