কেশবপুর (যশোর)প্রতিনিধি: যশোরের কেশবপুরে জাতীয় বৃক্ষ রোপন কর্মসূচির উদ্বোধন এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অনুদানের চেক বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সংসদ সদস্য আজিজুল ইসলাম (খন্দকার আজিজ) এই কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ গ্রহণ করেন।
বৃক্ষ রোপন কর্মসূচির অনুষ্টানে তিনি বলেনে, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নের বাংলাদেশে কোন মানুষ অভুক্ত থাকবে না। এদেশের মানুষের জন্য নিরাপদ সুখ ও সমৃদ্ধির বাংলাদেশ গড়ে তোলাই তার এক মাত্র উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য। স্মার্ট বাংলাদেশে স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে তরুণ সমাজকে মাদক ও জোয়ার নেশা থেকে দুরে থাকতে হবে এবং সুশিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে। আর এজন্য প্রতিটি পরিবারের অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে জাতীয় বৃক্ষরোপন কর্মসুচির উদ্বোধন ও বিনামুল্যে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ ও বনজ বৃক্ষের চার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে তিনি এসব কথা বলেন।
কেশবপুর উপজেলা বন বিভাগের আয়োজনে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুপ প্রভাব মোকাবেলায় দেশব্যাপী বনায়নের লক্ষ্যে ও টেসই বন ও জীবিকা (সুফল) প্রকল্পের আওতায় এ উপজেলায় ১২হাজার ৫০০ গাছের চারা করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ তুহিন হোসেন, উপজেলা বন কর্মকর্তা হাবিবুজ্জামান প্রমুখ।
পরে তিনি কেশবপুরের মসজিদ ও মন্দিরের জন্য অনুদানের চেক বিতরণ করেন। দুপুরে উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার তুহিন হোসেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উপজেলার ৩৫ টি মসজিদ ও মন্দিরের উন্নয়নের জন্য ৫২ হাজার টাকা করে অনুদানের চেক বিতরণ করেন এমপি আজিজুল ইসলাম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এমপি আজিজ বলেন, “আমি আমার নির্বাচনী এলাকায় বিভিন্ন অঞ্চলে পরিদর্শনকালে মসজিদ, মন্দির ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের অবস্থা দেখে নিজ উদ্যোগে সংস্কারের জন্য বরাদ্ধ দিয়েছি। আমি আমার নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নের জন্য প্রত্যন্ত অঞ্চলে সরেজমিনে গিয়ে উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। কেশবপুর উপজেলার প্রায় সকল মসজিদ ও মন্দিরে জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকারের আমলে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এসময় এমপি আজিজ উপস্থিত সকলের কাছে জননেত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করেন।’
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মামুন, কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ জহিরুল আলম, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন, উপজেলা কৃষি অফিসার মাহমুদা আক্তার, ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ন কবির পলাশ, আলাউদ্দীন আলা, এস এম মুনজুর রহমান, আব্দুল কাদের, পৌরসভার কাউন্সিলর কবির হোসেন, জেলা পরিষদের সদস্য টিপু সুলতান প্রমুখ।

