কেশবপুর প্রতিনিধি:
কেশবপুর উপজেলার বিভিন্ন কেশবপুর বিভিন্ন সড়কে ভেঙ্গে পড়ছে মরা গাছের ডাল। আর
প্রাণ হারানোর ঝুকিঁতে পড়েছে পথচারীরা।
কেশবপুর পৌর শহরের সরকারি হাসপাতালের পার্শে, উপজেলার বিভিন্ন সড়ক পরিদর্শন কালে দেখা গেছে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের সড়কের দু’পাশে জেলা পরিষদের লাগানো বড়ো বড়ো বিভিন্ন বনজ বৃক্ষ মরে যেয়ে তা শুকিয়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এবং ঐ মরা গাছগুলো আস্তে আস্তে বিলুপ্ত হয়ে যাচ্ছে। এখন বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টিপাতের কারণে মরা গাছের শুকনো ডাল-পালা ভেঙ্গে পথচারীদের ওপরে পড়ে আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে অহরহ।
এর মধ্যে উপজেলার কেশবপুর সরকারি হাসপাতালের পূর্ব পার্শে সীমানা প্রাচীরের গায়ে কেশবপুর- রাজগজ্ঞ সড়কে অনেক গুলো বড়ো বড়ো গাছ মারা গিয়ে শুকিয়ে গেছে।
তাছাড়া ভেরচী টু কলাগাছি সড়ক, কেশবপুর টু রাজগজ্ঞ সড়ক, সাগরদাঁড়ি সড়ক, হাসানপুর টু বগা সড়ক, কেশবপুর টু পাঁজিয়া সড়ক, কেশবপুর টু ফতেপুর সড়কের পাশে লাগানো বড়ো বড়ো বিভিন্ন প্রকারের প্রচুর গাছ অনেক আগে মারা গেছে। আর এই কোটি কোটি টাকার সরকারি সম্পদ এভাবে মরে যেয়ে শুকিয়ে নষ্ট হয়ে গেলেও সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ এব্যাপারে সম্পুর্ন উদাসীন। জেলা পরিষদে অবহেলার কারনে আজ বর্ষা মৌসুমে পথচারীদের চলাচলে প্রচুর ঝুঁকি বেড়েছে। বিভিন্ন সময়ে মরাগাছের ডাল-পালা ভেঙ্গে পড়ে পথচারীদের আহত হওয়ার ঘটনা
ঘটেছে অহরহ। ইতিমধ্যে কেশবপুর পৌর শহরে সরকারি খাদ্যগুদামের পার্শে একটি মরা গাছের শুকনা ডাল ভেঙ্গে পড়ে ৫ জন পথচারী আহত হয়ে কেশবপুর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল।
কেশবপুর উপজেলার গৌরিঘোনা ইউনিয়নে ভেরচী গ্রামের কৃষক অশোক কুমার মন্ডল দৈনিক স্পন্দনকে জানান ভেরচী টু চুকনগর সড়কের ভেরচী বাজারের অদুরে অনেক গুলো মরা গাছ মারা গেছে এবং তার ডাল-পালা ভেঙ্গে পড়ে পথচারীদের ওপর পড়ে অনেকে আহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। গতকাল দুপুরে মরাগাছের ডাল-পালা ভেঙ্গে পড়ে এক পথচারী পল্লী চিকিৎসক মারাত্মক ভাবে আহত হয়েছে।
এবিষয়ে গৌরিঘোনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস এম হাবিবুর রহমান দৈনিক স্পন্দনকে বলেন আমার ইউনিয়নের ভেরচী সড়কের দু’পাশে প্রচুর গাছ মারা যেয়ে শুকিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। বহুবার লিখিত এমনকি মৌখিক ভাবে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানকে অবহিত করা
হয়েছে। কিন্তু আজ পরযর্ন্ত কোনো ব্যবস্থা তাঁরা নেয়নি। গতকালও একজন পল্লী চিকিৎসকও আহত হয়েছে।
এব্যাপারে কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তুহিন হোসেন বলেন, সড়কে অনেক গাছ মারা যেয়ে শুকিয়ে গেছে। ইতিমধ্যে সড়ক গুলো চিহৃত করা হয়েছে এবং জেলা পরিষদকে অবহিত করা হয়েছে। জেলা পরিষদও খুব দ্রুত মরা গাছগুলো অপসারণের ব্যাবস্থা নিবেন বলে তিনি জানান।
এ ব্যাপারে যশোর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মুঠো ফনে আলাপ কালে তিনি জানিয়েছেন বিষয়টি আমি অনেক আগেই জেনেছি। শুকনো ডাল-পালা ভেঙ্গে পড়ে পথচারীদের অনেক ঝুঁকি বেড়েছে। খুব শিঘ্রই মরা গাছ-গাছালি গুলো অপসারনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

