তবে এ থেকে রেহাই পেতে পারেন ভোরে ঘুম থেকে ওঠা ব্যক্তিরা।
যেসব দম্পতি সকালে ঘুম থেকে ওঠতে পারেন, তারা নিজেদের মধ্যে ভালো একটা বন্ধন তেরি করতে পারেন।
চা খেতে খেতে গল্প
এক কাপ কফি বা চা নিয়ে দুজন একসঙ্গে অনেক গল্প করতে পারেন। এ সময় চাইলে নিজেদের কাজ কর্ম নিয়েও আলোচনা করতে পারেন।
সকালে হাঁটা
পাখির কিচিরমিচির ও সবুজ প্রাকৃতিক পরিবেশের মধ্যে কিছু সময় ব্যয় করার অভ্যাস হতে পারে সম্পর্ক ভালো রাখার আরেকটি ভালো অভ্যাস। একসঙ্গে দুজন এ অভ্যাসটি করতে পারলে এবং এ সময় নিজেদের মধ্যে ইতিবাচক কথাবার্তা বললে সম্পর্ক ভালো থাকবে। এ ছাড়া মর্নিং ওয়াক শুধু আপনার শারিরীক সুস্থতাই নয় বরং দুজনের মানসিক ঘনিষ্ঠতাও বৃদ্ধি করবে।
একে অপরকে সঙ্গ দিন
স্বামী-স্ত্রী একে অপরকে সঙ্গ দিন এবং একে অপরের উপস্থিতিতে নিজেদের অবদানগুলোর প্রশংসা, কঠোর পরিশ্রমের প্রশংসা ও একে অপরের প্রতি অকৃত্রিম কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করুন। এর ফলে নিজেদের মধ্যে নিজেদের মধ্যে অন্তরঙ্গ সম্পর্ক তৈরি হবে। এটি বিভিন্ন ধরণের চাপ থেকেও নিজেদের রক্ষা করবে।
দৈনন্দিন কাজের পরিকল্পনা
নিজে নিজের প্রতিদিনের কাজের পরিকল্পনা করার পরিবর্তে সঙ্গীর সঙ্গে পরামর্শ করতে পারেন। এতে পরিকল্পনাও হবে এবং সঙ্গীর সঙ্গে সময় কাটানোও হবে। বা নিজের পরিকল্পনার কথা সঙ্গীকে বলতে এবং সঙ্গীর পরিকল্পনা নিজে শুনতে পারেন। কর্মক্ষেত্রে একে অপরকে সহযোগিতা করতে পারেন। এতে নিজেদের মধ্যে সম্পর্ক আরো গাড় হবে।
একসঙ্গে সকালের নাস্তা তৈরি করুন
দিনের প্রথম খাবার তৈরি করতে গিয়ে তাড়াহুড়ো করবেন না। নিজেদের জন্য একটি পুষ্টিকর নাস্তা তৈরি করতে সময় নিন এবং একসঙ্গে নাস্তা করুন। রান্নাঘরে একে অপরকে সাহায্য করতে পারেন। এতে শুধু গৃহস্থালির কাজই কমে না, দুজনের সম্পর্ককে আরো গাড় করে দেয়। নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ আরো বেড়ে যাবে।
সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া

