নিজস্ব প্রতিবেদক:যশোর শহরের প্রাণকেন্দ্র দড়াটানায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়েছে। পৌর মেয়রকে অপসারণের পর প্রশাসকের দায়িত্ব পেয়েছেন স্থানীয় সরকার বিভাগ যশোরের উপ পরিচালক রফিকুল হাসান।
তিনি দায়িত্ব গ্রহণের পর যশোর শহরকে দখলমুক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছেন। ফুটপাথ থেকে শুরু করে বেহাত হওয়া সরকারি সম্পত্তি উদ্ধার উদ্যোগকে স্বাগত জানাচ্ছেন সচেতন মহল। অভিযোগ রয়েছে দড়াটান ব্রিজের উত্তর-পূর্বপাশে অন্তত ১৩টি দোকান বসিয়ে নেয়া হয়েছে মোটা অংকের অগ্রীম টাকা।
তেমনি দোকান প্রতি ২ হাজার করে টাকা ভাড়ার নামে চাঁদা তোলা হয়। যা যখন যে মেয়রের দায়িত্ব পেয়েছেন, তিনিই ভোগ করে আসছিলেন। একাধিক সূত্রে এ অভিযোগ করা হয়েছে।
শুক্রবার সকালে শহরের দড়াটানা ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় ভৈরব নদের পাড়ে প্রশাসকের নেতৃত্বে প্রথম অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
এদিন সকাল ১০টা থেকে শহরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। প্রথমেই দড়াটানা ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় ভৈরব নদ দখলদারদের উচ্ছেদ শুরু হয়। নদের পাড়ে সরকারি জমি দখল করে নির্মিত রাজধানী হোটেলের অর্ধেক স্থাপনা ভেঙে গুড়িয়ে দেয়া হয়।
এরপর অভিযানিক দলটি ভৈরব নদের দক্ষিণ পাড়ের দখলকৃত সকল স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালাতে থাকে। পৌরবাসীর দাবি-পৌরসভাকে দুর্নীতিমুক্ত করতে প্রশাসক গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করবেন।
জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার এ উচ্ছেদ অভিযানে পথচারীরা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। খোদ পৌরসভার অনেক কর্মকর্তা-কর্মচীর দাবি, ভৈরব নদের দু’পাড়ের অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে মানুষের চলাচলের পথ নিরাপদ যেমন হবে তেমনি চাঁদাবাজি বন্ধ হবে।

