নিজস্ব প্রতিবেদক: শারদীয় দুর্গোৎসবের মহা অষ্টমীতে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে শুক্রবার (১১ অক্টোবর) কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। হিন্দু ধর্ম মতে, কুমারী হচ্ছে শুদ্ধতার প্রতীক। দেবী দুর্গার আরেক নাম কুমারী।
এ পূজার মাধ্যমে স্বয়ং মা দুর্গা মানুষের ভেতরে বিকশিত হন। তাই শঙ্খ, ঘণ্টা আর উলু ধ্বনির মধ্য দিয়ে জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে দুর্গা দেবীকে কুমারী রূপে অর্ঘ্য প্রদান করা হয়।
যশোর রামকৃষ্ণ আশ্রম ও মিশনে বেলা সাড়ে ১০টায় আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় কুমারী পূজা। এবছর কুমারী হিসেবে যশোর শহরের বেজপাড়া এলাকার অতনু চক্রবর্তীর ৩বছরের মেয়ে অবিত্রিকা চক্সবর্তী ত্রিধামুর্তিকে পূজা করেছেন ভক্তরা। দেবীকে আরধনা করতে পেরে খুশি রামকৃষ্ণ আশ্রমে আসা ভক্তরা।

এদিকে শারদীয় উৎসবকে ঘিরে গোটা যশোরে বিরাজ করছে উৎসব মুখর পরিবেশ। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মন্ডপে মন্ডপে গিয়ে দেবি দর্শন করছেন ভক্তরা।
জেলায় এবার ৬৫২ মন্ডপে অনুষ্ঠিত হচ্ছে প্রতিমা পূজা। নির্বিঘেœ শারদীয় উৎসব সম্পন্ন করার জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা। জেলা প্রশাসনসহ আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা সার্বিক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। পূজামন্ডপ পরিদর্শন করছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক এবং সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
সন্ধ্যায় যশোরে বিভিন্ন পুজা মন্ডপ পরিদর্শন করেন খুলনা রেজ্ঞের ডিআইজি মোঃ রেজাউল হক ও জেলা প্রশাসক মোৎ আজাহারুল ইসলাম।

