শনিবার, ১৭ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৮শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

তরিকুল ইসলামের কাছ থেকে মানুষের জন্য রাজনীতি করা শিখেছি- তারেক রহমান

আরো খবর

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, রাজনীতির মুল লক্ষ্য হচ্ছে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা। বিএনপি তার ৩১ দফার আলোকে দেশের প্রতিটি নাগরিকের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে কাজ করে যাচ্ছে।

মরহুম তরিকুল ইসলামও আমৃত্যু মা,মাটি ও মানুষের মুক্তির সংগ্রামে নিজেকে নিয়োজিত করেছিলেন। আজকের নতুন প্রজন্মকে তরিকুল ইসলামের রাজনৈতিক জীবন ও শিষ্ঠাচার থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে। ব্যক্তিগত লাভাবান বা অর্থ উপার্জনের হাতিয়ার হিসেবে যিনি বা যারা রাজনীতি করেন বা করেছেন তাদের পরিনতি দেশবাসী প্রত্যক্ষ করেছে। পতিত স্বৈরাচার ফ্যাষ্টিদের পরিণতি কি হতে পারে তা দেশের মানুষ ৫ আগষ্ট ছাত্র-জনতার তীব্র আন্দোলনের মাধ্যমে উপলব্ধি করেছে।

তাই আগামীর বাংলাদেশ হতে হবে শোষন, নির্যাতন ও বৈষম্য মুক্ত বাংলাদেশ। আর মানুষের ও গণবিপ্লবের সেই লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য সবাইকে এক হয়ে কাজ সকরতে হবে। মনে রাখতে হবে ঐক্যবদ্ধতার কোন বিকল্প নেই। বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির প্রয়াত সদস্য সাবেক মন্ত্রী মরহুম তরিকুল ইসলামের ৬ষ্ঠ মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে যশোর জেলা বিএনপি আয়োজিত স্মরণ সভায় ভার্চুয়ালী যুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তারেক রহমান এসব কথা বলেন ।

জেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন খোকনের সভাপতিত্বে স্মরণ সভায় বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন বিএনপির খুলনা বিভাগীয় সহ সাংগঠনিক সম্পাদক জয়ন্ত কুমার কুন্ডু। মরহুম তরিকুল ইসলামের বর্ণাঢ্য জীবনের বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহ তুলে ধরে বক্তৃতা করেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, যশোর বারের সাবেক সভঅপতি এ্যাড. নজরুল ইসলাম, ডাক্তার হারুন অর রশীদ, প্রেস ক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, অধ্যাপক আয়ুব হোসেন, তন্ময় সাহা,এজেড এম সালেক,মোশারফ হোসেন, মাওলানা বেলায়েত হোসেন , জেলা ছাত্রদলের সভাপতি রাজিদুর রহমান সাগর প্রমুখ ।

স্মরণ সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মরহুম তরিকুল ইসলামের সহধর্মিণী অধ্যাপক নার্গিস বেগম, দুই সন্তান শান্তুনু ইসলাম সুমিত ও অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান খান, গোলাম রেজা দুলু, সাবেক পৌর মেয়র মারুফুল ইসলাম মারুফ,একেএম শরফুদ্দৌলাহ ছটলু,মাহাতাব নাসির পলাশ,  মাওলানা আব্দুল মান্নান,মুনির আহমেদ সিদ্দিকী বাচ্চু,এ্যাড. জাফর সাদিক,যুবদলের সভাপতি এম তমাল আহমেদ, সেক্রেটারী আনছারুল হক রানা,স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম,  সেক্রেটারী মোস্তফা আমির ফয়সাল প্রমুখ। এছাড়া এই স্মরণ সভায় খুলনা বিভাগের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

তারেক রহমান বলেন,আজকের এই স্মরণ সভায় হাজারো মানুষের উপস্থিতি প্রমান করে মরহুম তরিকুল ইসলাম  কতটা জনপ্রিয় ছিলেন। তরিকুল ইসলাম সারাজীবনই আদর্শের সাথে কোন বেঈমানী করেননি। বিগত স্বৈরাচার এরশাদ আমলে এবং ফ্যাসিষ্ট পতিত স্বৈরাচার হাসিনার আমলে  ও ওয়ান ইলেভেন সরকারের আমলে মরহুম তরিকুল ইসলাম বার বার কারা বরণ ও হামলা, মামলার শিকার হয়েছেন। কিন্তু তিনি কখনো তার আদর্শ থেবে বিন্দু মাত্র বিচ্যুত হননি। মরহুম তরিকুল ইসলামের সাথে আমার কাজ করার বেশি অভিঙ্গতা নেই। তারপরও যতটুকু সময় পেয়েছি ততটুকু সময়ে আমি তার কাছ থেকে মানুষের জন্য রাজনীতি করা শিখেছি।

পরে তিনি মরহুম তরিকুল ইসলামের রুহের মাগফেরাত কামনা করে অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে অংশ নেন।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ