বেনাপোল,শার্শা যশোর:-
দেশের দক্ষিনপশ্চিমাঞ্চলের বৃহত্তম আমের মোকাম যশোরের শার্শা বেলতলা বাজারে বিভিন্ন প্রজাতির মৌসুমি আমে জমজমাট হয়ে উঠেছে। প্রতিদিন হাজার হাজার মন আম যচ্ছে ঢাকা চিটাগাং সহ দেশের বিভিন্ন জেলায়। তবে কমে গেছে দাম। আমের মোকামে পাল্লা দিয়ে চলছে কেমিকেল মিশানোর উৎসব। ক্ষতিগ্রস্ত ও প্রতারিত হচ্ছে ক্রেতারা
সাতক্ষিরার কলারোয়া,যশোরের শার্শা ও ঝিকরগাছা-এই তিন উপজেলার মধ্যবর্তী সংযোগস্থলে বেলতলা নামক বাজারে প্রতিদিন আসছে বিভিন্ন স্থান থেকে হাজার হাজার মন নেংড়া-নিশিন ও গোপালভোগ আম। শার্শা উপজেলার বাগ আচড়া বেলতলা আমের হাটে দেশের বিভন্ন স্থান থেকে আসছে মৌসুমী ব্যাপারীরা। বাজারগুলোতে উঠছে আগাম আম। তবে বৃষ্টির কারনে দাম পাচ্ছেনা চাষী ও ব্যাবসায়িরা। ১৫দিন আগে প্রকারভেদে প্রতিমন আম২২শথেকে২৮শ টাকা বিক্রি হলেও। বর্তমানে দাম কমেছে অর্ধেক। ফলে লোকসানের মুখে পড়ছেন তারা। এদিকে বেশীর দামের আশা আমের মোকামে কিছু অসাধু আড়ৎদাররা গোডাউনে রাখা আমে মিশাচ্ছেন ক্ষতিকারক রসাইনিক। ক্ষতিগ্রস্ত ও প্রতারিত হচ্ছে ক্রেতারা। ক্রেতা জামাল উদ্দিন ও আক্কাস আলী বলেন ফলের রাজ্যে ভেজালে ভরা। কি খাচ্ছ কি দেখছি শুনে আসছি দীর্ঘদিন। রসালো এসব ফল খেয়ে পুষ্টির পরিবর্তে হচ্ছেন ক্ষতিগ্রস্ত। লিভার কিডনি সহ অনেকেই হয়ে পড়ছেন অসুস্থ্য। সরকারের অভিযান দাবী করেন তিনি।
চাষী ক্রেতা ও বিক্রেতা বলেন,চলতি মৌসুমে আমের ফলন হয়েছে কম। বৃষ্টির কারনে কমে গেছে বেচাকেনা। ১৫দিন আগে আমের দাম ভাল থাকলেও বর্তমানে প্রতিমনে দাম কমেছে ৫শ থেকে ৭শ টাকা-ফলে লোকসান গুনছে তারা। লাখ লাখ টাকায় আমের বাগান করে ও বর্গা নিয়ে ফলন ও দাম কম পাওয়ায় গুনতে হচ্ছে লোকসান। বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ক্রেতারা ও বলেন লোকসানের কখা। ১৮ থেকে ২২টাকা কেজি দরে বিক্রি হচেছ বিভিন্ন প্রজাতির আম।
বেলতলা বাজারের গহর আলী শাহ ফল ভান্ডারে প্রকাশে মিশানো হচ্ছেন ক্ষতিকারক ক্যামিকেল। প্রতিষ্টানের পরিচালক মতলেব ফকির বলছেন ভিন্ন কথা। ব্যাবসায়ি মতলেব ফকিরের উপস্তিতে রং মিশানো হচেছ প্রকাশ্যে। সামনে বসে করছেন আমের কেনাবেচা। পিছনে গোডাউনে মিশানো। হচেছ ক্যামিক্যাল। গন মাধ্যম কর্মিদের দেখে দৌড়ে পালিয়ে যায় অসাধু চক্রের সদস্যরা।
বৃহৎ আমের মোকাম বেলতলা বাজারে শুরু হয়েছে বিভিন্নপ্রজাতির আমের বেচাকেনা। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন স্থানে রফতানি হচ্ছে আম। ক্ষতিকর রসায়নিক প্রতিরোধে করা হচ্ছে বাজার মনিটরিং। কোন অসাধু ব্যাবসায়ির বিরুদ্ধে অভিযোগ পেলে ব্যাবস্থা গ্রহনের আশ্বাস দেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রতাম কুমার মন্ডল।
শার্শার বেলতলা বাজার থেকে প্রতিদিন প্রায় ১৫/২০হাজার মন আম রফতানি হচেছ দেশের বিভিন্ন জেলায়। রসায়নিক প্রতিরোধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ক্রেতা সাধারন।
দক্ষিনপশ্চিমাঞ্চলের বৃহত্তম মোকাম শার্শা বেলতলায় মৌসুমি আমে বাজার জমজমাট

