ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি:
যশোরের চৌগাছার বেড়গোবিন্দপুর বাওড় দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের সময় উদ্ধার হওয়া বিদেশী পিস্তলটি কার পুলিশ এখনও সনাক্ত করতে পারেননি। এ নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরবেলা ওই বাওড় দখল নিয়ে বিএনপি’র দুগ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে।
এসময় একটিগ্রুপের দেশীয় অস্ত্রেরসহ বিদেশি অস্ত্রের মহড়ায় ৭ জন আহত হয়। পুলিশ সংবাদ পেয়ে ঘটনা স্থানে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান। এসময় পুলিশ একটি বিদেশি পিস্তল, অবিস্ফোরিত দুই রাউন্ড তাজা গুলি এবং দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে।
এব্যাপারে চৌগাছা থানায় একটি পুলিশবাদী এবং অন্যটি যশোর সদরের চুড়ামনকাটি ইউনিয়নের আব্দুলপুর গ্রামের নুরুল ইসলাম বাদি হয়ে মামলা করেছেন ।
জানাগেছে, উপজেলার বেড়গিবিন্দপুর বওড়টি চৌগাছার আওয়ামীলীগ নেতা ও চৌগাছা সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পতিত সরকারের আমলে ২০২২সালে ৬বছরের জন্য (মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির নামে) বাৎসরিক ৭০ লক্ষ টাকায় লিজ নেয়। ৫আগস্ট বিগত সরকারের পতনের পর চৌগাছার পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দীন ও চৌগাছা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুর রহিমকে মৌখিক ২০% লাভ্য অংশ প্রদান করা শর্তে মাছ চাষ করে আবুল কাশেম। কিছুদিন পূর্বে আবুল কাশেম পুনরায় যশোর জেলা বিএনপি নেতা কালাম হোসেনের কাছে বাওড়ের ২০% শেয়ার ৬০ লক্ষ টাকায় বিক্রি করে দেন।
কালামের নেতৃত্বে চৌগাছা বিএনপির এক পক্ষের ১৫/২০ জনকে সাথে নিয়ে শুক্রবার সকালে মাছ ধরতে যায়। এতে সালাউদ্দীন ও আব্দুর রহিমের লোকজন বাধা দেয়। একপর্যয় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটলে উভয় পক্ষের ৭ জন আহত হয়।
বর্তমান এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। যেকোন সময় বড় রকমের অঘটন ঘটে যেতে পারে বলে এলাকাবাসী মনে করছেন।
চৌগাছা থানার ওসি আনোয়ার হোসেন জানান প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে আইনের আওতায় আনা হবে।

