ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি:
যশোরের চৌগাছায় স্বামীর লাঠির আঘাতে স্ত্রী রেকসোনা খাতুন (৩২) নিহত হয়েছেন। ১০ মার্চ সোমবার সকালে উপজেলার রানায়ণপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছেন পুলিশ।
যশোরের চৌগাছায় স্বামীর লাঠির আঘাতে স্ত্রী রেকসোনা খাতুন (৩২) নিহত হয়েছেন। ১০ মার্চ সোমবার সকালে উপজেলার রানায়ণপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। লাশটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছেন পুলিশ।
নিহত রেকসোনা খাতুনের স্বামী রাকিবুল ইসলাম সিজার উপজেলার নারায়ণপুর গ্রামের মৃত আব্দার রহমানের ছেলে। ঘটনার পর থেকে রাকিবুল পালাতক রয়েছেন।
রেকসনা উপজেলার সুখপুকুরিয়া ইউনিয়নের আন্দুলিয়া গ্রামের সানোয়ার হোসেনের মেয়ে। সানোয়ার হোসেন বর্তমানে স্বপরিবারে মহেশপুর উপজেলার গয়েশপুর গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা।
অভিযুক্ত রাকিবের শারিরিক প্রতিবন্ধী মা শাহানাজ বেগম জানান, রেকসোনা রাকিবের ২য় স্ত্রী। ১ম স্ত্রী ঢাকায় গার্মেন্টসে চাকরি করেন। প্রথম স্ত্রীর একটি ছেলে রয়েছে। তিনি বলেন, ২য় স্ত্রী রেকসোনাকে নিয়ে রাকিব চৌগাছা শহরের কাজীপাড়া এলাকায় জুয়েলের বাসায় ভাড়া থাকে। রেকসোনা গৃহপরিচারিকা এবং রাকিবুল রাজ মিস্ত্রীর কাজ করে।
রাকিব ৪/৫ দিন আগে রেকসোনার সাথে গোলযোগ করে গ্রামের বাড়ি নারায়ণপুর চলে আসে। রেকসনা রোববার (৯মার্চ) রাতে গ্রামের বাড়িতে আসে।
রাকিবের মা আরো জানান, আমাকে খাওয়াপর ও তার আগের স্ত্রীর ছেলেকে এটা ওটা কিনে দেওয়ায় বউমা রেকসোনা প্রায় রাকিবের সাথে ঝগড়া হতো। সকালে দুইজন কথাকাটাকাটি করছিল। আমি চলাফেরা করতে পারিনা। পরে কোন রকমে আমি ঘর থেকে নেমে গিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি রেকসোনার লাশ পড়ে আছে। পাশে একটি বাঁশের লাঠি। যাতে রক্ত লেগে আছে।
রেকসনা চৌগাছার যে বাড়িতে ভাড়া থাকতেন ওই বাড়ির মালিক জুয়েল ঘটনাস্থলে গিয়ে রেকসোনার ফোনে কল দিলে রিংটোনের সূত্র ধরে পুলিশ রাকিবুলের রান্নাঘর থেকে দুটি ফোন উদ্ধার করে।
স্থানীয়রা জানান, রাকিব-রেকসোনা কবে বিয়ে করেছেন তারা জানতেন না। মাঝে-মধ্যে তারা বাড়িতে আসতো। তাদের মধ্যে ঝগড়াঝাটি লেগেই থাকতো।
স্থানীয়রা জানান, রাকিব-রেকসোনা কবে বিয়ে করেছেন তারা জানতেন না। মাঝে-মধ্যে তারা বাড়িতে আসতো। তাদের মধ্যে ঝগড়াঝাটি লেগেই থাকতো।
রেকসনার বাবা সানোয়ার হোসেন বলেন, কিছুই জানা ছিলো না। সংবাদ পেয়ে এসে দেখি মেয়ের লাশ।
চৌগাছা থানার উপ-পরিদর্শক ঘটনার তদন্তকারি কর্মকর্তা এসআই মিজানুর বলেন, ভোতা কিছু দিয়ে আঘাতের ফলে নিহতের কপালের বাম পাশে গভীর ক্ষত হয়। ধারনা করা হচ্ছে প্রচুর রক্তক্ষরণের ফলে তার মৃত্যু হয়েছে।
চৌগাছা থানার ওসি আনোয়ার হোসেন বলেন, লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর ২৫০শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
চৌগাছা থানার উপ-পরিদর্শক ঘটনার তদন্তকারি কর্মকর্তা এসআই মিজানুর বলেন, ভোতা কিছু দিয়ে আঘাতের ফলে নিহতের কপালের বাম পাশে গভীর ক্ষত হয়। ধারনা করা হচ্ছে প্রচুর রক্তক্ষরণের ফলে তার মৃত্যু হয়েছে।
চৌগাছা থানার ওসি আনোয়ার হোসেন বলেন, লাশটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য যশোর ২৫০শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
উল্লেখ্য শনিবার (৮মার্চ) ভোর রাতে উপজেলার পাতিবিলা গ্রামে ছেলের হাতে খুন হন শরিফুল ইসলাম (৪০) নামে এক কৃষক। তিনদিনেও অভিযুক্ত ছেলেকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

