শুক্রবার, ১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৭শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

শুক্রবার যশোরে ছাত্রলীগ নেতা দাদা রিপনের  হত্যাবার্ষিকী 

আরো খবর

নিজস্ব প্রতিবেদক:
যশোরের ছাত্রলীগ নেতা রিপন হোসেন দাদার আজ শুক্রবার ১৬ তম হত্যাবার্ষিকী। ২০১০ সালের এদিন সন্ধ্যায় সন্ত্রাসীরা তাকে কুপিয়ে হত্যা করে। দীর্ঘ ১৫ বছরেও এ হত্যা মামলার বিচার শেষ না হওয়ায় হতাশ নিহতের পরিবার। দাদা রিপন হত্যা বার্ষিকী উপলক্ষে পরিবারের পক্ষ থেকে কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে বলে জানান বড়ভাই সোহেল রানা (লিটন)।
মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১০ সালের ১৪ মার্চ বিকেলে রিপন হোসেন তার বন্ধু সেলিম রেজাকে সাথে নিয়ে মোটর সাইকেলযোগে বাড়ি থেকে শহরে আসছিলেন দাদা রিপন। পথিমধ্যে ভেকুটিয়ার আহছানিয়া মিশনের সেল্টার হোমের সামনের রাস্তায় পৌঁছালে হাফিজুর তার মোটরসাইকেল থামাতে বলে শহরে যাবে বলে। মোটরসাইকেল থামার সাথে সাথে হাফিজুর দৌঁড়ে এসে দা দিয়ে রিপনকে আঘাত করে। এ সময় রিপন ও সেলিম মাঠের মধ্যে দৌঁড় দেয়।
রিপনকে মাঠের মধ্যে ধরে হাফিজুর ও তার লোকজন কুপিয়ে জখম করে ফেলে রেখে যায়। স্থানীয়রা রিপনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে আনার পর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরদিন নিহতের পিতা শহিদুল ইসলাম পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ অপরিচিত ৪/৫ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন। ২০১৩ সালের ডিসেম্বর মাসে মামলা তদন্ত শেষে ৭ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। অভিযুক্ত আসামিরা হলেন ভেকুটিয়া গ্রামের শাহারুল ইসলাম, বড় ভেকুটিয়া গ্রামের আব্দুল হাইয়ের ছেলে হাফিজুর রহমান, ছলেমানের ছেলে শামীম, শফিয়ার রহমানের ছেলে মিকাইল, শফিয়ারের ছেলে শাহাজান ও রঘুনাথপুর গ্রামের জাহিদের ছেলে ইকবাল।
মামলাটি ২০১২ সালের ২৫ জুলাই বিচারের জন্য জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে জেলা ও দায়রা জজা আদালতে বদলী করা হয়। এখনো এ মামলার সাক্ষ গ্রহণ শুরু হয়নি বলে জানিয়েছেন নিহতের ভাই সোহেল রানা। আজ নিহত রিপনের স্মরণে বাড়িতে আছর বাদ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। তিনি শুভানুধ্যায়ীদের দোয়া মাহফিলে শরিক হওয়ার আহবান জানিয়েছেন।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ