নিজস্ব প্রতিবেদক:যশোরের মণিরামপুর উপজেলার ১২নং শ্যামকুড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ আলমগীর হোসেনের গ্রেফতারের খবর শুনে তাঁর দাদী মৃত্যুবরণ করেছেন।
জানা গেছে ইউনিয়ন পরিষদের কাজে তিনি মনিরামপুর উপজেলা পরিষদে এসেছিলেন।বুধবার (৪ জুন) দুপুরে আলমগীর হোসেনকে মনিরামপুর উপজেলা পরিষদের সামনে থেকে গ্রেফতার করে মণিরামপুর থানা পুলিশ।
এরপরই ঘটে এই ঘটনা । পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, চেয়ারম্যান আলমগীরের গ্রেফতারের সংবাদে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন তাঁর দাদী বোলজান বিবি। কিছুক্ষণ পরেই বিকালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
মরহুমার মৃত্যুতে পরিবার ও এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। জনপ্রিয় চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেনের পরিবারের প্রতি স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
মরহুমার জানাজা আজ ৫ জুন (বৃহস্পতিবার) সকাল ১০টায় শ্যামকুড় ইউনিয়নের লাউড়ী রামনগর কামিল মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিত হবে। জানাজায় অংশ নিতে এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারণকে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।
পরিবার বলছে: “এই শোক কোনোভাবেই সহ্য করার নয়”আলমগীর হোসেনের বড় ভাই জাহাঙ্গীর জানান, “আমাদের দাদী ছোট থেকেই ভাইটাকে অনেক স্নেহ করতেন। তার গ্রেফতারের খবরে তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন।শোক সহ্য করতে না পেরে চোখের সামনে আমাদের দাদী চলে গেলেন।”
তিনি আরও বলেন, “এই শোক আমাদের জন্য দ্বিগুণ কষ্টের। ভাইয়ের গ্রেফতার আর দাদীর মৃত্যু—দুজনেরই বিচ্ছেদ একসঙ্গে আমাদেরকে দগ্ধ করছে।”
স্থানীয় এক প্রবীণ রাজনৈতিক নেতা বলেন, “চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আলমগীর একজন নিষ্ঠাবান জনপ্রতিনিধি। তার গ্রেফতারের পরই এমন দুঃসংবাদ পরিবারের জন্য আরও দুর্বিষহ করে তুলেছে। আমরা শোকাহত পরিবারের পাশে আছি।”
জনগণ ও শুভানুধ্যায়ীরা মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন এবং চেয়ারম্যান আলমগীরের মুক্তি ও পরিবারের শান্তি কামনা করেছেন।

