শুক্রবার, ১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৭শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

বেনাপোল কাস্টমস’র শুল্কায়ন গ্রুপ-৫ এ বহিরাগত কে এই ‘সুজন’

আরো খবর

বিশেষ প্রতিনিধিঃ বেনাপোল কাস্টমসে কর্মকর্তাদের সাথে টেবিলের সামনে বসে অফিস করছেন কে এই সুজন। শুল্কায়ন গ্রুপ-৫-এ প্রবেশ করলেই মিলবে তার চেয়ারে বসে থাকার দৃশ্য। নতুন কোন আমদানিকারক বা সিঅ্যান্ডএফ মালিক সেখানে গেলে হাউসের কর্মকর্তা বলে সম্বোধন করে অনেকে স্যার ডেকে বসেন। সরকারি এই কাস্টমস অফিসে চেয়ারে বসে থাকা শুল্কায়নের ফাইল হাতে ব্যক্তির নাম হলো সুজন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেনাপোল কাস্টমসে আলোচিত সুজনের বাড়ি বেনাপোলের নারায়নপুর গ্রামে।

সূত্র জানায়, সুজন নিয়োগকৃত কোন কর্মচারী নন। তিনি কোন ক্ষমতাবলে বেনাপোল কাস্টম হাউসে (৫নং শুল্কায়ন গ্রুপে) প্রায় ৫ বছর ধরে কাজ করছেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

অতি গুরুত্বপূর্ণ এই শাখায় আমদানি পণ্যের ফাইল ছাড়াতে গেলে গুনতে হয় অতিরিক্ত টাকা। আর এই টাকা দিতে হয় সুজনের কাছে এমন অভিযোগ করেছেন অনেকে। এই শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা আব্দুস সামাদ আজাদ ও এআরও ওমর ফারুক এসব অপকর্মে জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে। তাদের অবৈধ আর্থিক লেন-দেনে সুজনকে ব্যবহার করা হয় বলে সুত্রের দাবি। এব্যাপারে সুজনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ”আমি কাস্টমসে নিয়োগকৃত কোন কর্মচারী নই। একটি সিএন্ড এফ এজেন্টের কাজে ৫নং শুল্কায়ন গ্রুপে যাই। সুপার আব্দুস সামাদ আজাদের সাথে ভাল সম্পর্ক আছে বলে জানান।

এদিকে সুজনের অবৈধ লেন-দেনের বিষয়ে জানতে বেনাপোল কাষ্টমসের অতিরিক্ত কমিশনার শরিফুল হাসানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি। ফোন রিসিভ করেননি ওই শাখার সুপার আব্দুস সামাদ আজাদও।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ