নিজস্ব প্রতিবেদক :যশোরের মনিরামপুরে চাঁদার টাকা না পেয়ে এক পরিবারের পাঁচজনকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করার ঘটনায় মিন্টু হোসেন (৪০) নামে এক ভ্যানচালকের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সাব্বির হোসেন ওরফে বড় সাব্বির মনিরামপুর পৌর বিএনপির শ্রমবিষয়ক সম্পাদক হলেও এখনো গ্রেপ্তার হয়নি।
শুক্রবার (২৯ আগস্ট) দিবাগত রাতে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মিন্টুর মৃত্যু হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মনিরামপুর সরকারি বালক উচ্চবিদ্যালয়ের দক্ষিণ পাশে হামলার ঘটনাটি ঘটে। নিহত মিন্টু উপজেলার হাকোবা গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে।
হামলায় মিন্টুর দুই ভাই সেন্টু ও পিকুল গুরুতর আহত অবস্থায় বর্তমানে যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাদের মধ্যে সেন্টুর অবস্থা আশঙ্কাজনক। নিহত মিন্টুর মা আমেনা বেগম বাদী হয়ে মনিরামপুর থানায় মামলা করেছেন। পুলিশ ছোট সাব্বির ও ফারুক নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করলেও প্রধান আসামি পৌর বিএনপি নেতা বড় সাব্বির এখনো পলাতক।
স্থানীয়রা জানান, চাঁদার টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে এই হামলা চালানো হয়। এ নিয়ে গ্রামে উত্তেজনা বিরাজ করছে। শনিবার (৩০ আগস্ট) লাশ বাড়িতে আনার পর ২৪ ঘন্টার মধ্যে আসামিকে গ্রেপ্তার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে গ্রামবাসী মানববন্ধন করেছে।
গ্রামবাসীর অভিযোগ, সাব্বির বিএনপি নেতা হওয়ায় পুলিশ এখনো তাকে গ্রেপ্তার করেনি। তারা দ্রুত তার গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
মনিরামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাবলুর রহমান বলেন, “নিহতের মা চারজনের নাম উল্লেখ ও দুজনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা করেছেন। পুলিশ ছোট সাব্বির ও ফারুককে গ্রেপ্তার করেছে। মূল আসামি সাব্বিরকে ধরতে অভিযান চলছে।”

