রবিবার, ১৮ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৯শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

যানজটে কবলে বেনাপোল বন্দর

আরো খবর

এম এ রহিম বেনাপোল:-
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বেনাপোল-পেট্টাপোল স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি রফতানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বেনাপোল ভয়াবহ পন্য ও যানজটের নগরীতে পরিনত হয়েছে। দুর্ভোগ বাড়ছে সর্ব সাধারনের। আমদানি রফতানি বানিজ্যে সৃষ্টি হয়েছে অচলাবস্থা। নাভিশ^াস বাড়ছে বন্দর ব্যাবহারকারীদের। সড়কে ঘন্টার পর ঘন্টা আটকে থাকছে দুর পাল্লার পরিবহন-পন্যবাহি ট্রাকসহ পথচারী শিক্ষার্থী ও রোগীরা। ভারত থেকে আসা ট্রাক চালকরা পন্যবাহি ট্রাক নিয়ে বন্দরে আটকে থাকছে দিনের পর দিন। বিভিন্ন কষ্টে দিন কাটছে তাদের। বাড়ছে ডেমারেজ নষ্ট হচ্ছে পচনশীর পন্য। কতিপয় অসাধু ব্যাক্তি প্রতিষ্টান ও বন্দর কাষ্টমসের সদস্যদের অসহযোগিতার কারনে আমদানি রফতানি পন্য পরিবহনে সৃষ্টি হচ্ছে ধ্রম্যজালের। ট্রাফিক ব্যাবস্থা নাজুক হয়ে পড়েছে। বন্দর এলাকায় ট্রাফিক পুলিশের কোন কার্যত ভুমিকা না থাকলেও বন্দর এলাকার বাহিরে বিভিন্ন সড়কে মটরসাইকেল ও প্রাইভেট কার চেকের নামে চলছে ভিন্ন কারবার। ফলে যানজটে আটকে থাকা ভুক্তভোগীরা প্রশাসনের প্রতি হচ্ছে বিক্ষুদ্ধ। উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
বন্দরের জায়গা ও ইকুপমেন্ট স্বল্পতা-আমদানি রফতানি বৃদ্ধিসহ ভারত অংশে পন্য ডেলিভরীতে বিলম্বের কারনে বেনাপোল বন্দরে ভয়াবহ পন্যও যানজটের সৃষ্টি হয়েছে বলে জানান বন্দর সংশ্লিষ্টরা। দিনের পর দিন মেইন সড়কে আটকে থাকছে ভারত ও বাংলাদেশে যাতায়াতকারী পন্যবাহি ট্রাক দুর পাল্লার পরিবহন সহ বিভিন্ন সংস্থা ও একেন্সির গাড়ী।এ্যাম্বুলেন্স ও বিজিবি পুলিশের গাড়ীও আটকে থাকছে জটে। বিকল্প পথ ব্যাবহার করছেন ইজি নসিমন ও ছোট যানবাহনগুলো। ফলে চালকেরাও পড়ছেন নানান বিড়ম্বনায়। বাড়ছে ডেমারেজ। নাভিশ^াস বাড়ছ সর্বসাধারনের। দুর্ভোগে পড়ছেন পথচারি ও বন্দর ব্যাবহারারীরা। বন্দর ও কাষ্টমসের দায়িত্বহীনতার কারনেও বাড়ছে পন্যজট। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ব্যাবসায়িরা। ট্রাফিক পুলিশসহ প্রশাসনের বিভিন্ন এজেন্সির সদস্যরাও থাকছেন নির্বাক। ফলে প্রতিদিন সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত যানজটে আটকে থাকছে পাসপোর্ট যাত্রী পথচারি শিক্ষাথীও সর্ব সাধারন। দুর্ভোগে অতিষ্ট বন্দরবাসি। অসহনীয় যানজট থেকে পরিত্রান চান নাগরিকেরা।
দেশ বিদেশ থেকে আসা পাসপোর্ট যাত্রীরা ভয়াবহ যানজটে আটকে পড়ায় বেনাপোল বন্দররের প্রতি বিরুপ মন্তব্য করছেন। এ দায় কার। সংশ্লিষ্ট দফতরের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন তারা।
বাংলাদেশ ভারত চেম্বর অব কমার্সের পরিচালক মতিয়ার রহমান বলেন গত ১০বছর ধরে চলছে বন্দরে যানজট। ধারন ক্ষমতার অতিরিক্ত পন্য রাখা হয়েছে বন্দরে। ট্রেন শিপমেন্ট সহ পাবলিক গোডাউন ও শেড ইয়ার্ড নির্মান করে যানজট নিরসন করা সম্ভব । চিটাগাং ও পায়রারা রয়েছে পাবলিক গোডাউন। পলে সরকার ও ব্যাবসায়িরা আমদানি রফতানি বানিজ্যে সুফল পাচ্ছে। বন্দর সংশ্লিষ্টদের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে নেওয়া দরকার। সবচেয়ে বেশী প্রয়োজন ৬শ একর জমি অধিগ্রহন ও ইকুপমেন্ট বৃদ্ধি। শৃঙ্খলা বৃদ্ধিরও প্রয়োজন বলে জানান তিনি। যানজটে চরম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আমদানি রফতানির সাথে সংশ্লিষ্টরা। রয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষের অসহযোগিতা-যানজট নিরসনে বন্দরের জমি সম্প্রসারন সহ পাবলিক ওয়ার হাউজ নির্মানের দাবী- বেনাপোলের ব্যাবসায়ি নেতাদের।
বেনাপোল বন্দর উপপরিচালক আব্দুল জলিল জানান,ভারতের পেট্টাপোল বন্দরে পন্যবাহি ট্রাক গ্রহনে দেরী করায় বাড়ছে জট। বেনাপোল বন্দরে ধারন ক্ষমতার অতিরিক্ত পন্য রাখা হচ্ছে। ফলে জমি অধিগ্রহন সহ ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সাথে বিষয়টি সুরাহে চেষ্টা চালানো হচ্ছে। যানজট নরসনে সর্বচ্ছ চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে জানান বন্দর কর্তৃপক্ষ।
বেনাপোল বন্দরের ৫৫হাজার মে:টন ধারন ক্ষমতায় বেশী পন্য রাখায় বাড়ছে যান ও পন্যজট। জায়গা সম্প্রসারনের জোরদাবী ব্যাবসায়িদের।

আরো পড়ুন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ