শনিবার, ১৭ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৮শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

না ফেরার দেশে মনিরামপুরের জনপ্রিয় বিএনপি নেতা মুসা

আরো খবর

মণিরামপুর প্রতিনিধি: সবাইকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন জনপ্আরিয় ব্হািএনপি নেতা আলহাজ্ব মোঃ মুছা। যশোরের মনিরামপুর উপজেলার সাবেক উপজেলা বিএনপির সভাপতি এবং সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান, যশোর জেলা বিএনপির সদস্য  আলহাজ্ব মোঃ মুছা শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যার কারণে যশোর কুইন্স হাসপাতালে ভর্তি হন পহেলা অক্টোবর, সেখানে চিকিৎসা নিয়ে অনেকটা সুস্থ হয়ে ওঠেন।

তাঁর ভাতিজা সুস্থতার ভিডিও কয়েকটি ফেইসবুক পেইজে পাঠিয়ে সকলের কাছে দুয়া প্রার্থনা করেন। কিন্তু বিধাতার ডাকে শেষ পর্যন্ত মনিরামপুরের গণ মানুষের এই নেতা  শনিবার রাত আনুমানিক ৩:১০ মিনিটে ইন্তেকাল করেন। তাঁর মৃত্যুতে শোকাহত মনিরামপুর উপজেলা বিএনপি সকল পর্যায়ের লোকজন।
তার মৃত্যুতে উপজেলা বিএনপির সভাপতি বলেন, এমন একজন অভিভাবক আমরা হারালাম যা মনিরামপুর বিএনপি শুধু নয় হারিয়েছি সর্বস্তরের জনগণ, তিনি কখনো প্রতিহিংসার রাজনীতির পছন্দ করতেন না, দলের দুঃসময় সুসময় সব সময় নেতাকর্মীদের দিকনির্দেশনা দিতেন।
ব্লিএনপি নেতা হাজ্ব মোঃ কফিল উদ্দিন বলেন, মুছা সাহেবের ন্যায় নিষ্ঠাবান রাজনীতির কারণে কখনো আমি তাঁর পিছু ছাড়িনি।
১৪ নং দুর্বাডাঙ্গা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এবং চেয়ারম্যান প্রার্থী মোঃ আলতাফ হোসেন কাঁদতে কাঁদতে বলেন, কি করে ভুলবো এই মানুষটির কথা।
১১ নং চালুয়াটি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি এবং আলহাজ্ব মোঃ মুছার বড় ছেলে কামরুজ্জামান শাহীন দুই দিন আগে পিতার পক্ষে গণসংযোগ চানান এবং বলেন শেষ বয়সে সবাই আমার বাবাকে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোট দিয়ে এমপি নির্বাচিত করতে সকলের দুয়া প্রার্থনা করেন। পিতার শেষ ইচ্ছা অপূর্ণ থেকে গেলো, থেকে গেলো নানা স্মৃতি।
আলহাজ্ব মোঃ মুছার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয় মনিরামপুর আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে, এসময় উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিভাগীয় বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক  অনিন্দ্য ইসলাম অমিতসহ কেন্দ্রীয় এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

 

বিএনপি নেতা অনিন্দ্য ইসলাম অমিত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শোক প্রকাশ করে লিখেছেন—

“অবিশ্বাস্য ঘটনা যে মানুষটি সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে রিলিজ নিয়ে বাড়ি যাওয়ার কথা ছিল, তিনি আজ চিরতরে আমাদের মাঝে নেই। মহান আল্লাহ তাঁর আত্মা শান্তি দান করুন এবং শোকার্ত পরিবার ও সহকর্মীদের ধৈর্য ধরার তৌফিক দিন। আমিন।

 

পরিবারের একজন সদস্য জানান, “গতকাল চাচাকে দেখতে গিয়েছিলাম। তিনি আগের তুলনায় ভালো ছিলেন, কথাও বলছিলেন। আর মাত্র একদিন পরই তিনি আমাদের মাঝে নেই—এটি সত্যিই মেনে নেওয়া কঠিন।”

 

আলহাজ্ব মুসার মৃত্যুতে পরিবার, রাজনৈতিক সহকর্মী ও এলাকার সাধারণ মানুষের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মণিরামপুরসহ যশোরের রাজনৈতিক অঙ্গনে এটি এক অপূরণীয় ক্ষতি বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

 

আরো পড়ুন

সর্বশেষ