কেশবপুর প্রতিনিধি:সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) কর্তৃক প্রকাশিত ৪৪তম বিসিএসের সংশোধিত ফলাফলে যশোরের কেশবপুর উপজেলার কৃতী সন্তান খান তৌহিদ কামাল প্রাণিসম্পদ ক্যাডারে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। কেশবপুরের ২নং সাগরদাঁড়ি ইউনিয়নের কাস্তা গ্রামের মাস্টার জামশেদ আলী খানের ছোট ছেলে খান তৌহিদ কামাল এই গৌরবময় সাফল্য অর্জন করেছেন। তার এই অর্জন গ্রামের তরুণ প্রজন্মের জন্য এক অনুকরনীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।তার এমন সাফল্যে এলাকাবাসী গর্বিত ও আনন্দিত।
এলাকার মাওলানা ইব্রাহিম হোসেন বলেন, তৌহিদ ছোটবেলা থেকেই অত্যন্ত মেধাবী ও বিনয়ী। তার বাবার স্বপ্ন ছিল ছেলেকে বড় কর্মকর্তা হিসেবে দেখা। আজ তৌহিদ সেই স্বপ্ন পূরণ করেছে। আমরা কাস্তা গ্রামের সবাই তার এই সাফল্যে গর্বিত। তৌহিদ আমাদের এলাকার মুখ উজ্জ্বল করেছে।
মোঃ সজিব (প্রতিবেশী ) জানান, “তৌহিদ সবসময়ই পড়ালেখার প্রতি ভীষণ মনোযোগী ছিল। অনেক প্রতিকূলতার মধ্যেও সে তার লক্ষ্য থেকে সরে আসেনি। তার এই সফলতা আমাদের সবার জন্য খুশির সংবাদ।
এনামুল হাসান (গণমাধ্যম কর্মী) বলেন, “তৌহিদ ভাইয়ের এই অর্জন প্রমাণ করে, সঠিক চেষ্টা ও পরিশ্রম থাকলে গ্রামের শিক্ষার্থীরাও দেশের সর্বোচ্চ পর্যায়ে যেতে পারে। সে আমাদের তরুণদের জন্য অনুপ্রেরণা।
খান তৌহিদ কামালের বলেন, আমি গভীর শ্রদ্ধার সাথে মহান আল্লাহর প্রতি অশেষ শুকরিয়া জ্ঞাপন করছি, যিনি আমাকে এই বিশাল অর্জনের সুযোগ করে দিয়েছেন।
এই আনন্দের মুহূর্তে প্রথমেই আমি কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই আমার মাতা-পিতা ও আমার শিক্ষকদেরকে। পাশাপাশি
আমার এলাকাবাসী এবং বন্ধুদের প্রতি আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আপনারা আমার জন্য যে ভালোবাসা ও শুভকামনা জানিয়েছেন, তা আমাকে ভীষণভাবে অনুপ্রাণিত করেছে।
তিনি বলেন বিসিএস যাত্রাটি ছিল দীর্ঘ ও চ্যালেঞ্জিং। কিন্তু আমি মনে করি, দৃঢ় সংকল্প, কঠোর পরিশ্রম এবং নিরবচ্ছিন্ন অধ্যবসায় থাকলে সাফল্য অর্জন করা সম্ভব। আজকের এই ফলাফল আমাকে আরও বেশি দায়িত্বশীল করে তুলেছে।
আমি বিশেষভাবে তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশে বলতে চাই আপনারা স্বপ্ন দেখুন, বড় স্বপ্ন দেখুন। আপনারা যদি মন থেকে চান এবং লক্ষ্য স্থির করে কাজ করেন, তবে কোনো বাধাই আপনাদের থামাতে পারবে না।
আজ থেকে আমি প্রজাতন্ত্রের একজন কর্মচারী হিসেবে দেশের জনগণের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করতে চাই। আমি সততা, নিষ্ঠা এবং আন্তরিকতার সাথে আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করে যাবো।

