একাত্তর প্রতিবেদক
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ^বিদ্যালয়ে ভিসির দপ্তরে ভুয়া কর্মচারীর নামে টাকা উত্তোলন করে লোপাটের অভিযোগ ওঠেছে। আর এ অভিযোগ করেছেন বিশ^ বিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন। তার লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে রিজিয়া বেগম নামে চতুর্থ শ্রেণির এক কর্মচারীর নামে মাসের পর মাস টাকা উত্তোলন করা হচ্ছে অথচ ওই নামে কেউ বিশ^ বিদ্যালয়ে কর্মরত নেই। ভিসির পিএস মাসুম বিল্লাহ নিজে স্বাক্ষর করে এই টাকা তুলছেন। সর্বশেষ গত ৩ জানুয়ারি তিনি টাকা তুলেছেন এবং তার বেতন চলমান রয়েছে। সূত্রের দাবি ২০২০ সালে ডিসেম্বর মাসে দৈনিক মুজরি ভিত্তিক হাজিরা ও বেতন বিল চেক করলে এর প্রমাণ মিলবে। তবে এ্ অভিযোগ আংশিক অস্বীকার করেছেন পিএস মাসুম বিল্লাহ। তিনি বলেন, রিজিয়া বেগম ভিসি স্যারের বাসায় কর্মরত আছেন এবং টাকা উত্তোলন করে তাকেই দেওয়া হয়। এই টাকা ” আমি নিজেই উত্তোলন করেছি”। এব্যাপারে ভিসি প্রফেসর আনোয়ার হোসেনর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তার বাসায় বর্তমানে রিজিয়া বেগম নামে কোন কর্মচারী নেই। পুর্বেও ছিল না। ভুয়া নামে টাকা উত্তোলনের বিষয়টি তিনি অবগত নন। তিনি আরো বলেন, ”যারা আপনাদের কাছে অভিযোগ করছে তাদের আমার কাছে পাঠিয়ে দিন”। অপর এক অভিযোগে জানাযায়, পারভীন নামে এক কর্মচারীকে যোৗক্তিক কারণ ছাড়াই চাকরি থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। তিনি ভিসির ঢাকাস্থ বাসায় সহকারী কুক পদে কর্মরত ছিলেন। চাকরি হারিয়ে পারভীন এখন মানবেতার জীবন যাপন করছেন। এব্যাপারে ভিসি প্রফেসর আনোয়ার হোসন বলেন, প্রয়োজন না থাকায় পারভীনকে রাখা হয়নি। তার আমলে হাজিরা ভিত্তিক কর্মচারী ছাটাই ছাড়া নতুন কাউকে নিয়েগ দেয়া হচ্ছেনা।
