শুক্রবার, ১৬ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৭শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

বেনাপোলে চোরাচালানী পণ্যসহ ৩ আনসার সদস্য আটক

আরো খবর

 

বেনাপোল প্রতিনিধি: বেনাপোলে ইমিগ্রেশনে চোরাচালানী পণ্যসহ ৩ আনসার সদস্য আটক করা হয়েছে।
পাসপোর্ট যাত্রীদের কম্বল অবৈধভাবে পারাপারে সহযোগিতার অভিযোগে তাদেরকে আটক করা হয়। পরে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিয়েছে বেনাপোল কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। তবে এ ঘটনায় ওই তিন আনসার সদস্যকে ক্লোজড করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ নভেম্বর) বিকেলে ভারত থেকে পাসপোর্ট ছাড়া পাঁচটি ভারতীয় কম্বল নিয়ে আসার সময় তাদের আটক করা হয়। এসময় গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য তাদের চ্যালেঞ্জ করলে তারা নিজেদের আনসার সদস্য পরিচয় দেন।

আটক হওয়া তিন আনসার সদস্য হলেন—আতিকুর রহমান (আইডি নং ০৫৫০৮৪৭২৯) রিয়াজুল ইসলাম (আইডি নং ১৯১৬৫২০) ইসমাইল হোসেন (আইডি নং ৫৯৬৬৫৩৩০৩৫)

সূত্র জানায়, পাসপোর্ট যাত্রীরা ভারত  ল্যাগেজ বহির্ভূত পণ্য আনলে তা কাস্টমস অতিরিক্ত পণ্য জমা রেখে ডিএম স্লিপ ধরিয়ে দেই। এ ক্ষেত্রে ল্যাগেজ যাত্রীরা কাস্টমসের চোখ ফাঁকি দিতে বন্দর ও কাস্টমসের অনসার সদস্যদের ব্যবহার করে তাকে। এ ক্ষেত্রে প্রতিটি কম্বল ইমিগ্রেশন থেকে বাহিরে আনতে আনসার সদস্যদের ৫০০ টাকা করে দেন। একই সাথে আনসার সদস্যদের বিরুদ্ধে নিশিদ্ধ পণ্য পারাপারের ও অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, বেনাপোল বন্দরে ও কাস্টমসের কিছু আনসার সদস্য দীর্ঘদিন ধরে এই চোরাচালান প্রক্রিয়ায় জড়িত এবং টাকার বিনিময়ে পণ্য পার করিয়ে থাকেন। এমনকি তারা ই-আরাইভাল কার্ড দালালির সঙ্গেও জড়িত রয়েছে।

এ ঘটনায় আনসার প্লাটুন কমান্ডার (পিসি) মিজানুর রহমানের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আটক তিন সদস্যকে কাস্টমস থেকে ছাড়িয়ে আনার পর তিনি আবারও বিজিবি চেকপোস্টে গিয়ে তাদের সহযোগিতা করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিজিবি সদস্যরা পাসপোর্ট ছাড়া কম্বল আসার বিষয়টি যাচাই করতে চাইলে পিসি মিজানুর তাদের কাছে অনুরোধ করেন।

এ বিষয়ে পিসি মিজানুর রহমান বলেন, “ওই  তিন জন আনসার সদস্য বন্দেরের কার্গো ইয়ার্ডে ডিউটি করে । কার্গো ইয়ার্ডের পিসি ছুটিতে থাকায় বাহিনীর বদনাম হবে এই ভাবনায় আমি বিষয়টি সামলাই। তবে দ্বিতীয়বার এমন হলে আর কোনো সহযোগিতা করবো না।

 

আরো পড়ুন

সর্বশেষ