শনিবার, ১৭ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৮শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

চৌগাছার নিখোঁজ পুলিশ সদস্য: ২৬ দিন পরে পঞ্চগড়ে মিলল অর্ধগলিত লাশ

আরো খবর

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি:
যশোরের চৌগাছা উপজেলায় নিখোঁজ হওয়া পুলিশ কনস্টেবল আখতারুজ্জামানের (৪৬) অর্ধগলিত লাশ পঞ্চগড় জেলা থেকে উদ্ধার হয়েছে বলে জানাগেছে ।
নিখোঁজ আক্তারুজ্জামান  উপজেলার সিংহঝুলি ইউনিয়নের জামলতা গ্রামের মৃত আনিচুর রহমান  বিশ্বাসের ছেলে। তিনি খুলনা রেঞ্জের বাগেরহাট জেলার রামপাল থানায় কর্মরত ছিলেন । তার বিপি নং ৮৪০৩০২৪৬৪৪। ছুটিতে এসে ২৭ নভেম্বর বৃহস্পতিবার বিকেলে নিখোঁজ পুলিশ সদস্যের স্ত্রী শাহিনা আক্তার চৌগাছা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
পুলিশ জানিয়েছেন, গত বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) পঞ্চগড় জেলার সদর উপজেলার ৬ নম্বর সাতমেড়া ইউনিয়নের নয়মাইল এলাকায় একটি আখক্ষেতের ভেতর স্থানীয়রা অজ্ঞাত এক ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়ে পঞ্চগড় সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। তবে প্রাথমিকভাবে লাশের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
পরে পঞ্চগড় সদর থানার এসআই  বেলাল হোসেন লাশের পরনে থাকা কাপড়ের ছবি সংগ্রহ করে নিখোঁজ সংক্রান্ত জিডির সূত্র ধরে বিভিন্ন থানায় প্রেরণ করেন। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে চৌগাছা থানা পুলিশ লাশের পরনের কাপড় ও ছবি নিখোঁজ পুলিশ সদস্য আখতারুজ্জামানের পরিবারের সদস্যদের দেখালে তারা লাশটি শনাক্ত করেন।
নিহত আখতারুজ্জামান (৪৬) যশোর জেলার চৌগাছা উপজেলার জামালতা গ্রামের মৃত আনিচুর বিশ্বাসের ছেলে। তিনি পেশায় বাংলাদেশ পুলিশের কনস্টেবল ছিলেন। তার বিপি নম্বর ৮৪০৩০২৪৬৪৪। তিনি খুলনা রেঞ্জের বাগেরহাট জেলার রামপাল থানায় কর্মরত ছিলেন।
জানা যায়, আখতারুজ্জামান স্ত্রী ও সন্তানসহ চৌগাছা পৌরসভার ইছাপুর গ্রামে বিল্লাল হোসেনের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। তিনি গত ২৬ নভেম্বর পাঁচ দিনের নৈমিত্তিক ছুটি নিয়ে কর্মস্থল ত্যাগ করেন। পরদিন ২৭ নভেম্বর সকালে ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর যাওয়ার কথা বলে বাসা থেকে বের হন। এরপর থেকে তার আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় নিখোঁজ হওয়ার পর তার স্ত্রী শাহিনা আক্তার সীমা (৩৭) গত ৩০ নভেম্বর চৌগাছা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। যার জিডি নম্বর ১৪০২।
নিহত পুলিশ কনস্টেবল আক্তারুজ্জামানের শ্যালক মামুনুর রশীদ বলেন, নিহতের পরিহিত পোশাক ও সঙ্গে থাকা অন্যান্য সরঞ্জাম দেখে আমরা মৃতদেহটি শনাক্ত করেছি। এটি আমার দুলাভাইয়েরই মরদেহ।
চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম জানান, “নিখোঁজ জিডির সূত্র ধরে পঞ্চগড় থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত লাশটি পরিবারের মাধ্যমে শনাক্ত করা হবে। লাশের সুরতহাল ও আইনগত প্রক্রিয়া পঞ্চগড় থানা পুলিশ সম্পন্ন করবে।”

আরো পড়ুন

সর্বশেষ