শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বিকাল থেকে তালা উপজেলার হরিশ্চন্দ্রকাঠি গ্রামে এসব কবুতর মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে থাকে। খবর পেয়ে রবিবার খুলনা বন বিভাগের ওয়াইল্ডলাইফ অ্যান্ড বায়োডাইভারসিটি কনজারভেশন অফিসার তন্ময় আচার্য্য ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।স্থানীয়রা জানান, ১৯ ডিসেম্বর তালার হরিশ্চন্দ্রকাঠি বিলে সরিষা বীজ বোনেন তালা মহিলা কলেজের প্রদর্শক আব্দুল বারী। পাখ পাখালির হাত থেকে রক্ষা করতে বোনার আগে বীজে বিষ মাখিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। ২০ ডিসেম্বর তার ক্ষেতে শতাধিক ঘুঘু পাখি ও কবুতরের পদচারণা ঘটে। এর পরপরই প্রাণ যেতে থাকে একের পর এক কবুতর ও ঘুঘু পাখির। এখন পর্যন্ত ৮০টি কবুতর ও একটি ঘুঘু পাখির মরদেহ পাওয়া গেছে।
হরিশ্চন্দ্রকাঠি গ্রামের জিন্নাত খা ও হায়দার আলী জানান, তাদের অনেকগুলো কবুতর মারা গেছে।
তারা প্রশ্ন করে বলেন, পাখি কি আর বীজ বিষ মাখিয়ে দেওয়ার বিষয়টি বোঝে?
তারা এঘটনায় ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি আব্দুর বারীর বিচার দাবি করেন।
এদিকে, খুলনা বন বিভাগের ওয়াইল্ডলাইফ অ্যান্ড বায়োডাইভারসিটি কনজারভেশন অফিসার তন্ময় আচার্য্য রোববার ওয়াইল্ডলাইফ টিমকে নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সাংবাদিকদের বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

