বেনাপোল প্রতিনিধি:
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-১ (শার্শা) আসনে বিএনপি মনোনীত চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন শার্শা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব নুরুজ্জামান লিটন। বুধবার দুপুরে তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে শার্শা উপজেলার নবাগত নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ফজলে ওয়াহিদ-এর কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।
মনোনয়ন জমাদানের সময় উপজেলা বিএনপি ও এর অঙ্গ-সংগঠনের জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় নুরুজ্জামান লিটন প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন এবং একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
উল্লেখ্য, গত ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫, বুধবার রাতে বিএনপি কেন্দ্রীয়ভাবে যশোর-১ আসনে প্রার্থী পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়। প্রাথমিকভাবে সাবেক দপ্তর সম্পাদক মফিকুল হাসান তৃপ্তিকে মনোনয়ন দেওয়া হলেও পরবর্তীতে তৃণমূলের চাহিদা ও নেতাকর্মীদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে আলহাজ্ব নুরুজ্জামান লিটনকে চূড়ান্ত মনোনয়ন প্রদান করে দলটি।
মনোনয়নপত্র জমা শেষে উপজেলা চত্বর থেকে বের হলে অপেক্ষমান বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ তাকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান। এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে নুরুজ্জামান লিটন বলেন,
“শার্শার মাটি ও মানুষের অধিকার পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে আমি প্রার্থী হয়েছি। জনগণের দোয়া ও ভালোবাসা থাকলে এবং একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে ধানের শীষের বিজয় সুনিশ্চিত।”
আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,
“দল আমার ওপর যে আস্থা রেখেছে এবং তৃণমূলের কর্মীদের যে ভালোবাসা পেয়েছি, তার প্রতিদান দিতে আমি বদ্ধপরিকর। আমরা গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে মাঠে আছি। ইনশাআল্লাহ জনগণের ভোটে জয়ী হয়ে শার্শাকে একটি উন্নত জনপদে রূপান্তর করব।”
এ সময় তিনি উন্নত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে শার্শায় আন্তর্জাতিক মানের একটি হাসপাতাল নির্মাণের আশ্বাস দেন।
তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নে সকল নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান এবং ভোটারদের দোয়া ও সমর্থন কামনা করে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট চাওয়ার নির্দেশনা দেন।
এদিকে, নুরুজ্জামান লিটনের চূড়ান্ত মনোনয়নে শার্শা উপজেলার বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়েছে। একই সঙ্গে নির্বাচনী এলাকায় সাধারণ মানুষের মাঝেও এ পরিবর্তন নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

