বুধবার, ২৫শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১১ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ৬ই শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি

কোটি টাকার লোভে তক্ষক পাচার, মনিরামপুরে দুইজনের কারাদণ্ড

আরো খবর

নিজস্ব প্রতিবেদক:

যশোরের মনিরামপুর উপজেলায় কোটি টাকার লোভে সংরক্ষিত বন্যপ্রাণী তক্ষক অবৈধভাবে ধরা ও পাচারের দায়ে দুই ব্যক্তিকে কারাদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টায় মনিরামপুর পৌরসভার নেহালপুর রোড এলাকায় বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২-এর আওতায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। উপজেলা বন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত), মনিরামপুর-এর দাখিলকৃত অভিযোগের প্রেক্ষিতে ও বন বিভাগের সহযোগিতায় অভিযানটি পরিচালনা করেন মনিরামপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহির দায়ান আমিন।
অভিযানকালে বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২-এর তফশিলভুক্ত সংরক্ষিত প্রজাতি তক্ষক অবৈধভাবে ধরা ও বিক্রি/পাচারে জড়িত থাকার অপরাধে দুইজন ব্যক্তিকে পাঁচ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। এ সময় প্রায় ১৩ ইঞ্চি দৈর্ঘ্যের একটি জীবিত তক্ষক উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত তক্ষকটি বন বিভাগের তত্ত্বাবধানে গোপনীয়তার সঙ্গে নিরাপদ পরিবেশে অবমুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
আটককৃতরা হলেন, ১।মো:আলমগীর হোসেন ৩৮, পিতা:মো:আবুল বাসার গ্রাম:পাচারই, কেশবপুর। ২।মো:তরিকুল ইসলাম ৪০, পিতা:আলাউদ্দিন মোড়ল, গ্রাম:তেঘরি, কেশবপুর।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, তক্ষক একটি সংরক্ষিত বন্যপ্রাণী। চিকিৎসাশাস্ত্রে তক্ষকের কোনো বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত উপকারিতা না থাকলেও গুজব ও কোটি টাকার লোভে একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে তক্ষক পাচারের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ছে। বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২-এর ধারা ৬ অনুযায়ী তক্ষক শিকার, ধরা, অযাচার ও বাণিজ্যিক বিক্রয় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।আইনের ধারা ৩৯ অনুযায়ী এ ধরনের অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ