নিজস্ব প্রতিবেদক: বিএনপির চেয়ারপার্সন সাবেক প্রধান মন্ত্রী মরহুম বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে গতকাল যশোর টাউন হল ময়দানে অনুষ্ঠিত হয় এক নাগরিক শোক সভা। জেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাড. সৈয়দ সাবেরুল হক সাবুর সভাপতিত্বে শোক সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নার্গিস বেগম।
প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তৃতা করেন বিএনপির খুলনা বিভাগীয় (ভারপ্রাপ্ত) সাংগঠনিক সম্পাদক ও যশোর-৩ সদর আসনে ধানের শীষ প্রতিকের এমপি প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন খোকনের সঞ্চলনায় নাগরিক শোক সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন ন্যাপ ভাসানীর জেলা সম্পাদক এ্যাড. এনামুল হক, লেখক গবেষক বেনজীন খান, অধ্যক্ষ আইয়ুব হোসেন, এনসিপির জেলা সমন্বয়ক নুরুজ্জামান, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক জেলা সমন্বয়ক রাশেদ খান, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী এম জাফর আহমেদ,টিইউসির জেলা সম্পাদক মাহাবুবুর রহমান মজনু, জেলা উদিচীর সম্পাদক এ্যাড. হিরু, জেলা ইমাম পরিষদের সহ সভাপতি মাওলানা আব্দুল মান্নান,মানবাধিকার সংগঠক বিনয় কৃষ্ণ মল্লিক, প্রেস ক্লাব যশোরের সাবেক সভাপতি একরাম উদ দ্দৌলাহ, জেলা পূজা উৎযাপন পরিষদের সভাপতি দীপংকর দাস রতন, বিশিষ্ঠ ব্যবসায়ী শ্যামল দাস,বিপ্লবী ওয়ার্কাস পার্টির নেতা তসলিমুর রহমান প্রমুখ।
সভায় বক্তারা প্রয়াত বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন, তিনি মা, মাটি ও মানুষের জন্য আমৃত্যু সংগ্রাম করে গেছেন। তিনি কখনো ইসলাম ও রাষ্ট্র বিরোধী কোন কর্মকান্ডে সায় দেননি।
তিনি ছিলেন সততা ,ন্যায় ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে এক আপোষহীন নেত্রী। তিনি দেশের মানুষকে এবং এই দেশের স্বাধীনতা ও স্বার্বভৌমত্বকে ভালোবেসে এই মাটিতেই জীবন বিসর্জন করেছেন। তাইতো কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ের ভালোবাসা ও চোখের পানিতে সিক্ত হয়ে তিনি এই বাংলাদেশের মাটিতেই চিরনিদ্রায় স্বামীর কবরের পাশে শায়িত আছেন
বক্তারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীরউত্তম এবং শহীদ বেগম খালেদা জিয়ার রেখে যাওয়া নীতি ও নৈতিকতায় ভরপুর বিএনপিকে আরো শক্তিশালী করতে প্রয়াত দুই মহান নেতার আদর্শ ধরে রাখার জন্য বিএনপির কোটি কোটি কর্মী সমর্থক ও নেতাদের প্রতি আহবান জানান।
পরে প্রয়াত বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে তীব্র শীতের মধ্যেও টাউন হল মাঠ কাঁনায় কাঁনায় পূর্ণ হয়ে ওঠে।

