নিজস্ব প্রতিবেদক:
যশোরে প্রেমের ফাঁদে ফেলে এক কিশোরীকে অপহরণ করে টাকা ও সোনার গহনা হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনায় সাতজনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় মামলা হয়েছে। মামলাটি করেছেন ওই কিশোরীর বাবা। এ মামলায় তিনজনকে আটক দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। তারা হলেন শংকরপুর ছোটনের মোড় এলাকার বাসিন্দা প্রধান অভিযুক্ত নিকোলাস মণ্ডল,তার বাবা জন মণ্ডল এবং শংকরপুর বাস টার্মিনাল এলাকার আবুল কাশেম মোল্লার ছেলে শাহারুজ্জামান ইয়ান্ত।
এ ছাড়া অপর চার আসামি হলেন নিকোলাস মণ্ডলের মা দোলা, বোন জয়া, মামা মানিক এবং শংকরপুর এলাকার ইয়াসিন। তবে এ মামলায় আটক হওয়া কেশবপুর উপজেলার মঙ্গলকোট গ্রামের ভাড়াটিয়া রফিকুল ইসলামের ছেলে রিপনকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। ঘটনার সঙ্গে তার সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় রাতেই তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ জানুয়ারি সকাল ৯টার দিকে কিশোরীটি বাড়ি থেকে বের হয় প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে। এরপর আর সে বাড়ি ফিরে আসেনি। পরে বাড়িতে খোঁজ করে দেখা যায়, সাড়ে সাত ভরি সোনার গহনা নেই। এ ঘটনায় তার বাবা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
এসআই জাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি টিম তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় প্রধান আসামি নিকোলাসকে গাজীপুরের জয়দেবপুর এলাকা থেকে আটক করে। পরে তার জিজ্ঞাসাবাদে গোপালগঞ্জ থেকে প্রায় সাত ভরি সোনার গহনা এবং গহনা বিক্রির ৮৩ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই জাহিদুল ইসলাম বলেন,আটক তিনজনের মধ্যে একজনের ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততা না থাকায় তাকে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া বাকি তিন আসামিকে রোববার আদালতে সোপর্দ করা হলে বিচারক তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

