মঙ্গলবার, ২০শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৬ই মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ১লা শাবান, ১৪৪৭ হিজরি

মহেশপুরে মহাসড়কের উপর কলার হাট, ভোগান্তির শেষ নেই

আরো খবর

 

মহেশপুর প্রতিনিধি:
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ব্যস্ততম খালিশপুর-মহেশপুর মহাসড়কের উপর কলার হাটটি এখন সাধারণ মানুষের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এলাকাবাসী হাটটি স্থানান্তরের জোর দাবিও জানিয়ে আসছে র্দীঘ দিন ধরে।

 

এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগীরা জানান, উপজেলার মহেশপুর খালিশপুর মহাসড়কের উপরে দীর্ঘদিন ধরে কলার হাট বা কাঁচা মালের হাট বসে থাকে। সপ্তাহে ২ দিন শুক্র ও সোমবার হাটের দিন সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এ রাস্তায় বিভিন্ন যানবাহনের জট লেগেই থাকে। ফলে দূর-পাল্লার যানবাহন, রোগী বহনকারী এ্যাম্বুলেন্স, অফিস গামী লোকজন দীর্ঘক্ষণ আটকা পড়ে থাকে হয়। এতে মানুষের ভোগান্তির যেন শেষ থাকে না।

 

বর্ষাকালে এ রাস্তা দিয়ে চলাচল অযোগ্য হয়ে পড়ে। কলার বিভিন্ন আবর্জনা বিভিন্ন সময়ে মানুষ জন দূঘটনার কবলে পড়ে। কলার হাটের পশ্চিম পাশে কপোতাক্ষ নদ। এ নদে কলার হাটের আবর্জনা ফেলার কারনে একদিকে যেমন কপোতাক্ষ নদ ভরাট হচ্ছে অন্য দিকে মারাত্মক পরিবেশ দূষন ঘটছে।

 

পরিবহন চাকল কামরুল ইসলাম জানান, হাটের দিন শুক্র ও সোমবার আমাদের এক থেকে দুই ঘন্টা যানজটে পরতে হয়। এ হাটটি অন্য কোথাও স্থানান্তর হলে মানুষ যানজট থেকে রক্ষ পেতো।
ট্রাক চালক রাশেদুল ইসলাম জানান, খালিশপুর মহেশপুরের এক মাত্র ব্যস্থতম সড়ক এটি। আর এ রাস্তার উপর যদি এভাবে যানজট হয় তাহলে আমাদের ভোগান্তির শেষ থাকেনা।

 

মাইক্রো চালক শরীফুল ইসলাম জানান, অনেক সময় গুরুতর অসুস্থ রুগী নিয়ে ঝিনাইদহে যাওয়ার সময় হাটের কারনে আমাদের যানজটে পড়তে হয়। আর এটা র্দীঘ দিনের। আজ পর্যন্ত এহাটটি কেউ অন্য কোন জায়গাই নিতে পারলোনা।

 

এ বিষয়ে এস বি কে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আরিফান হাসান চৌধুরী লুথান জানান, কলার হাটের কারণে রাস্তায় যানজট সৃষ্টি হচ্ছে জানি। আর এতে জনগণের ভোগান্তিও হচ্ছে। কিন্তু তার পরও কি করবো। ভালো কোন স্থান পাচ্ছিনা যে কলার হাটটি সেখানে নিয়ে যাবো। কিন্তু তারপরও চেষ্টা করছি হাটটি সরানোর জন্য।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খাদিজা আক্তার বলেন, খোঁজ-খবর নিয়ে কলার হাটের জন্য অন্যত্র জায়গা দেখার চেষ্টা করবো।

 

আরো পড়ুন

সর্বশেষ