কেশবপুর প্রতিনিধি:
যশোর-৬ আসনের ১১ দলীয় ঐক্যজোট ও জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী অধ্যাপক মোক্তার আলীর বাসভবনে ৯ই ফেব্রুয়ারী গভীর রাতে ককটেল হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর প্রতিবাদে সোমবার দুপুরে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলন করেছেন প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট মো. সাইদুর রহমান।

সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, ৯ই ফেব্রুয়ারী রাত ১:১০ মিনিটে একদল সন্ত্রাসী পরিকল্পিতভাবে প্রার্থীর বাড়িতে বোমা হামলা চালিয়ে নির্বাচনী পরিবেশ অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করেছে। বক্তারা একে গণতন্ত্র ও ভোটাধিকারের ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে উল্লেখ করেন।
এ সময় প্রশাসনের কাছে অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ৪ দফা দাবি জানানো হয়। নেতারা প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, ভয়ভীতি দেখিয়ে ভোটারদের দমানো যাবে না এবং আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে এই সন্ত্রাসের দাঁতভাঙ্গা জবাব দেবে।
এ বিষয় এনটিভির প্রতিনিধির সাথে ফোনে অধ্যাপক মোক্তার আলী বলেন, ৯ই ফেব্রুয়ারী রাত ১:১০ মিনিটে আমার বাসভবনে যে কাপুরুষোচিত বোমা হামলা চালানো হয়েছে, তা কেবল আমার ওপর আক্রমণ নয়, বরং কেশবপুরের সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্রের ওপর সরাসরি আঘাত। সন্ত্রাসীরা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে নির্বাচনী পরিবেশ অস্থিতিশীল করতে চায় এবং ভোটারদের মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে চায়।
তিনি আরও বলেন, “আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, বোমা মেরে বা ভয় দেখিয়ে আমাদের দমানো যাবে না। কেশবপুরের মানুষ সাহসের সাথে এই ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করবে। আমরা শান্তিতে বিশ্বাস করি এবং আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ব্যালটের মাধ্যমে জনগণ এই অপশক্তির দাঁতভাঙ্গা জবাব দেবে। তিনি আরো বলেন অবিলম্বে হামলাকারীদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার করতে হবে, নির্বাচনী এলাকায় সকল প্রার্থীর সমান নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে,ভোটারদের নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার পরিবেশ তৈরি করতে হবে,নির্বাচনের দিন পর্যন্ত এলাকায় টহল জোরদার করতে হবে।
তিনি দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের ধৈর্য্য ধরার আহ্বান জানান এবং আগামী নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে এই সন্ত্রাসের রাজনৈতিক জবাব দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

