আবু তাহের, বসুন্দিয়া (যশোর) প্রতিনিধি॥ যশোর সদরের বসুন্দিয়া গ্রামের মৃত লুৎফার মোল্যা মৃত্যুর ৫দিন আগে ২য় স্ত্রী তালাকপ্রাপ্তা হওয়ায় সম্পত্তির অংশ দিতে অস্বীকার করেছে দুই পূত্র মোঃ কামরুল ইসলাম ও মোঃ আনোয়ার হোসেন।
গতকাল সকাল ১০টায় সহোদর দুই ভাই মোঃ কামরুল ইসলাম ও মোঃ আনোয়ার হোসেন এক লিখিত বিবৃতিতে মৃত পিতার তালাকপ্রাপ্তা ২য় স্ত্রী হাসিলা বেগমকে পিতার সম্পত্তির কোন ভাগ দেবেন না বলে জানিয়েছেন। হাসিলা বেগম অতি চতুর একজন মহিলা, ইতি পূর্বে তিনি একাধীক বিবাহ করে সংসার ছেড়েছেন বলে দাবি করে দুই সহোদর ভাই। তারা লিখিত বিবৃতিতে প্রেসক্লাব বসুন্দিয়াকে জানান, পিতা- মৃত লুৎফর রহমান মোল্লা, গ্রাম+ডাক- বসুন্দিয়া, থানা- কোতয়ালী, জেলা- যশোর, এই মর্মে প্রকাশ করছি যে, মোছাঃ হাসিলা বেগম, পিতা- মৃত মোজাম মোল্লা, গ্রাম+ডাক- ভিটাবল্লা, থানা- বাঘারপাড়া, জেলা- যশোর আমার মৃত পিতার দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন। পিতার মৃত্যুর পূর্বে তালাক প্রাপ্ত হলেও অদ্যবদি আমার পিতার সম্পত্তির লোভে বিভিন্ন ধরনের ষড়যন্ত্র করে চলেছে এবং সামাজিকভাবে আমাদেরকে হেয় প্রতিপন্ন করার বিভিন্ন কুটবুদ্ধি চালিয়ে যাচ্ছে। ২০১৮ সালে আমার মা ইন্তেকাল করার পর থেকেই একটি কূচক্রি মহলের সহযোগিতায় হাসিলা বেগম আমাদের পিতাকে বশ করার চেষ্টায় লিপ্ত হয়। তার ফাদে ধরা পড়ে গত ১৫/১২/২০২১ ইং- তারিখে আমার পিতা তাকে বিবাহ করতে বাধ্য হন। এর পর থেকে আমাদের পরিবারের সবাই বিভিন্ন রকম অশান্তিতে ভূগতে থাকি। হাসিলা বেগম আমাদের পিতার অবাধ্য হয়ে চলতেন অশালীন আচারণ করতেন। বনি-বণা না হওয়ার কারণে সংসারে প্রাই গোলযোগ লেগেই থাকত। মাঝে মাঝে হাসিলা বেগম তার নিজের নামে আমাদের পিতার সম্পত্তি দলিল করে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করতেন। এভাবে চলতে চলতে ১৮/০১/২০২২ইং তারিখে হাসিলা বেগমকে ৩তালাকে বায়েন করেন। তারপর ও হাসিলা বেগম সংসার ছেড়ে না গিয়ে কোনো অদৃশ্য শক্তির বলে বিভিন্ন ধরনের হুমকি ধামকি দিত। মানসিক নিপীড়ন ও নির্যাতনের একপর্যায়ে আমাদের পিতা গত ২৩/০১/২০২২ ইং তারিখে স্ট্রোক জনিত কারণে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে চিকিৎসা চলাকালীন সময়ে মৃত্যুবরণ করেন। সম্প্রতি হাসিলা বেগম আমাদের পিতার সম্পত্তির অংশীদারিত্ব দাবী করে ১৫নং ইউনিয়ন পরিষদ বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করার প্রেক্ষিতে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়াম্যোন মোঃ রিয়াজুল ইসলাম খান এর সাক্ষর সম্বলিত একটি নোটিশ ০৯/০৬/২০২২ইং তারিখে আমাদের হাতে পৌচায়। স্থানীয় বিশষ্টিজনদের থেকে জানা যায় হাসিলা বেগম ইতিপূর্বে আরও তিন জন পুরুষের স্ত্রী ছিলেন বিভিন্ন ষড়যন্ত্র মূলক কর্মকান্ড করে তিনি ঘরছাড়া হয়েছেন। তারা সম্মান ও পিতার সম্পদ-সম্পত্তি রক্ষার্থে সাংবাদিকদের লেখনীর সহযোগীতা কামনা করেছেন।
