সেলিম রেজা,শার্শা থেকে
কুরবানীর ঈদকে সামনে রেখে জমে উঠেছে দেশের দক্ষিন পশ্চিমাঞ্চলের বৃহৎ পশুর হাট যশোরের শার্শা সাতমাইল। ছোট বড় গরুতে জমজমাট হাট। করোনার এ সময়ে সামাজিক দুরত্ব ও সু রক্ষা না মেনেই সপ্তাহে ৩দিন বসছে কুরবানীর হাট। তবে এবার পশুর দাম কম। বিক্রেতাদের সমাগম থাকলেও নেই ক্রেতা।
সীমান্তবর্তী উপজেলা শার্শার বাগআচড়া-সাতমাইল পশুহাটে ঝিকরগাছা,কলারোয়া.চৌগাছা শার্শা সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে আসে গরু। প্রতিবছর ভারত থেকে আসতো হাজার হাজার পশু। বিএসএফের কড়াকড়িতে এবার ভারতীয় গরু না আসলেও দেশে উৎপাদিত খামারী গরু আসছে হাটে। বন্যাসহ বিভিন্ন দুর্যোগের কারনে বাহিরের ব্যাপারী কম আসায় লোকসানের মুখে খামারী ফড়েয়া ও ব্যাবসায়িরা। গরুর আমদানি বাড়লেও দাম কমে হতাশ তারা-
মেহেরপুর,শরিয়তপুর ও ঢাকা চিটাগাং থেকে কিছু ব্যাপারী আসলেও গরুর বাজার মন্দা থাকায় বেশী পশু কিনছে না তারা। কেনাবেচাও কম। ফলে গরু কিনে পড়েছেন বিপাকে। লোকসান পোষাতে ঢাকার বাজার ধরতে অপেক্ষা করছেন তারা- ফড়িয়া মোর্সেদ আলী ও খামারী আব্দুল কাদের ও মাসুদ গাজি বলেন প্রতি বছর পশুকিনে হয় লাভ। এবার অর্ধশতাধিক গুরু কিনে পড়েছেন সমস্যায় । লোকসানের মুখে তারা। ঢাকার বাজার ধরতে চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানান এসব ব্যাবসায়িরা।
তবে এবার কম দামে গরু কিনতে পেরে খুশি ক্রেতারা-এবার প্রাকৃতিক দর্যোগের কারনে কমদামের পশুরপ্রতি আগ্রহ ক্রেতাদের
সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান,াগআঁচড়া সাতমাইল পশুর হাট এজারাদার ইলিয়াচ কবির বকুল-বলেন, প্রায় ১ কোটি টাকায় হাট ডেকে পড়েছেন বিপাকে। ক্রেতাকমে বাড়ছে হতাশা।কুরবানীর ঈদকে সামনে রেখে বাড়ে পশু আমদানি। গত দু হাটে বেচাকেনা হয়েছে১০হাজার গরু। সামনে আরো বাড়বে গরু বিক্রি। তবে আশানুপ গুরু আসেনি হাটে। পশুরহাটে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা-ও সু রক্ষা। ঈদের আগে বিক্রি বাড়ার আশা করেন তিনি।
ভারপ্রাপ্ত শার্শা উপজেলা প্রনী সম্পদ কর্মকর্তা- আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন,যশোরের শার্শার উপজেলায় ৪টি পশুরহাটে জমজমাট হয়ে উঠছে বেচাকেনা। নিরাপদ পশুবিক্রিতে হাটগুলো তদারকি করছেন প্রানী সম্পদ বিভাগ। কেনাবেচাই সবাইকে করা হচ্ছে সতর্ক ।
জমে উঠেছে শার্শা-সাতমাইল পশুর হাট দাম কম,হতাশ ব্যাবসায়িরা

