নিজস্ব প্রতিবেদক:
না ফেরার দেশে চলে গেলেন যশোর সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ নুর উন নবী। নানা রোগে ভুগে বৃহস্পতিবার রাত ২টার সময় ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনিনি। (ইন্না লিল্লাহ…. রাজিউন) তিনি। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী,দুই সন্তানসহ অসংখ্য গুনাগ্রহী রেখে গেছেন। শুক্রবার সকালে তার মরদেহ ঢাকা থেকে যশোরে আনা হয়। শহরের লালদিঘীর পাড়ে দলীয় কার্যালয়ে নিয়ে গেলে তাকে ফুল দিয়ে শেষ শ্রদ্ধা জানান বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিতসহ জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এরপর জুম্মাবাদ শংকরপুরে নিজ এলাকায় তার জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন। জানাজা শেষে কারাবালা কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন করা হয়।এদিকে, তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফকরুল ইসলাম আলমগীর। এছাড়া তিনি সর্বশেষ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ধানের শীষ নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়ে পরাজিত হন। তার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে। দলীয় নেতা কর্মিকর্মী ছাড়াও অনেকে এরই অশ্রু,শোক, শ্রদ্ধা, ভালবাসায় সিক্ত হয় যশোর কারবালা কবরস্থানে।বেলা তিন টায় চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয় যশোর সদর উপজেলা বিএনপির-সভাপতি জনাব নূর উন নবীকে।এর আগে তার নামাজের জানাযায় অংশ গ্রহন করে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক (খুলনা বিভাগ ) অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, যশোর জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব এড সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, জাসদ নেতা বীরমুক্তিযোদ্ধা রবিউল আলম, মাষ্টার হাফিজুর রহমান । উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা এড,মোহাম্মদ ইসহাক, যশোর জেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন খোকনসহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ ও দলীয় নেতা কর্মীরা । জানাযা নামাজের পূর্বে সকাল সাড়ে এগারোটায় দলীয় কার্যালয়ে দলীয় পতাকা ও ফুল দিয়ে মরদেহে শ্রদ্ধা জানান কেন্দ্রীয় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, তারপর শ্রদ্ধা জানান যশোর জেলা বিএনপি’র আহবায়ক অধ্যাপক নার্গিস বেগম সহ নেতৃবৃন্দ এরপর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীরা পুষ্পস্তবক দিয়ে তাদের প্রিয় নেতাকে শেষ শ্রদ্ধা জানান।
তার মৃত্যুতে যশোর জেলা জাগপার নিজামুদ্দিন অমিতসহ অন্যান্যরা শোক প্রকাশ করেছেন।#

