নড়াইল প্রতিনিধি ঃ
সাবেক তথ্যমন্ত্রী ও জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু এমপি বলেছেন, প্রশাসনের গাফিলতির কারনে একের পর এক হামলার ঘটনা ঘটছে। সময় মত পদক্ষেপ গ্রহন না করায় এবং দোষি ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক বিচার করতে ব্যর্থ হওয়ায় হামলাকারীরা রেহাই পেয়ে যাচ্ছে। প্রশাসনের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা সাম্প্রদায়িক চক্র উদ্দেশ্যমূলকভাবে ষড়যন্ত্র করছে। পুলিশ প্রশাসন হামলার ঘটনা শোনার পরও যথা সময়ে ঘটনাস্থলে না পৌঁছে দেরিতে পৌঁছানো এর জন্য দায়ি। যার কারনে এমন ভাবে মামলার চার্জশিট তৈরী করা হয় যাতে তারা সহজে মামলা থেকে বেরিয়ে যেতে পারে। সময় এসেছে সংখ্যালঘূ সম্প্রদায়ের জন্য কমিশন গঠন করা এবং সংখ্যালঘূ সুরক্ষা আইন তৈরী করার। আমাদের প্রধানমন্ত্রী এবং সরকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের জন্য কমিশন ও সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন করার জন্য বিবেচনা করলে ভালো হয়। শুক্রবার দুপুরে ১৪ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার দীঘলিয়া সাহাপাড়ায় সহিংসতার ঘটনায় হিন্দু সম্প্রদায়ের ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িঘর ও মন্দির পরিদর্শন এবং আর্থিক সহায়তা প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন।
চারটি মন্দিরে ২৫হাজার টাকা করে এক লক্ষ টাকা এবং ১০ পরিবারকে ১০ হাজার টাকা করে এক লক্ষ টাকা মোট ২ লক্ষ নগদ টাকা প্রদান করা হয়।
১৪ দলীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোফাজ্জেল হোসেন চৌধুরী মায়া এমপি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দোলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ফজলে হোসেন বাদশা এমপি, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, জাপার কেন্দ্রীয় নেতা মুক্তার হোসেন, বাসদের কেন্দ্রীয় নেতা রেজাউর রশীদ খান রেজা, জাসদের কেন্দ্রীয় নেতা ওয়াবয়দুর রহমান চুন্নু, তরিকত ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় নেতা মুহাম্মদ আলী ফারুকী, গণ-আজাদী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা এস কে সিকদার, কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা অসিত বরণ রায়, নড়াইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাড. সুবাস চন্দ্র বোস ও সাধারণ সম্পাদক নিজাম উদ্দিন খান নিলুসহ জোটের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রশাসনের গাফিলতির কারনে একের পর এক হামলার ঘটনা ঘটছে -হাসানুল হক ইনু

