বেনাপোল প্রতিনিধি,জুলাই—২৯,
যশোরের শার্শায় খোলা বাজারের বিষাক্ত বিস্কুট খেয়ে একটি কওমি মাদ্রাসার এক শিশু শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। অপর ৬ শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটেছে শার্শা উপজেলার নারায়নপুর গ্রামে।তারা সকলেই শার্শার নারায়নপুর আশরাফুল মাদারীস হাফিজিয়া কওমি মাদ্রাসার ছাত্র বলে ওই মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ মাওলানা আনারুল ইসলাম জানান।
নিহত ওই শিশু মাহিন উদ্দিন (১০) ঝিকরগাছা উপজেলার নন্দীর ডুমুরিয়া গ্রামের সুরত আলির ছেলে।
ওই মাদ্রাসার শিক্ষক মনিরুজ্জামান বলেন, শার্শার ত্রিমোহিনী গ্রামের রাসেল তার শ্যালক মামুনকে বাজার থেকে বিস্কুট কিনে খেতে দেয়।মামুনসহ তার অন্য সাত সহপাটি বিস্কুট খাওয়ার পর হঠাৎ করে পেটে ব্যাথা শুরু হলে তাদেরকে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।হাসপাতালে নেওয়ার পথেই মাহিনের মৃত্যু হয়।সেখানে বাইজিদ ও মামুনের অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় তাদেরকে যশোর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডাঃ সিদ্দিকুর রহমান বলেন,বিকেলে ওই কওমি মাদ্রাসার ৭জন ছাত্রকে অসুস্থ্য অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসলে মাহিন (১০) নামে এক ছাত্রকে মৃত ঘোষনা করা হয়।দুই ছাত্রের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদেরকে যশোর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।বাকীদের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে তারা ভালো আছে।
মামুনের বোনজামাই রাসেল বলেন,
বৃহষ্পতিবার বিকালে উপজেলার নাভারন বাজারের ফুটপথ থেকে ৫শ’ গ্রাম ওজনের দুই প্যাকেট বিস্কুট কিনে ছিলাম। ওই বিস্কুট মাদ্রাসার আবাসিক ছাত্র আমার শ্যালককে মামুনকে দিয়ে আসি।পরে শুনি ওই বিস্কুট খেয়ে তারা অসুস্থ্য হয়ে পড়েছে।
শার্শা থানার ওসি মামুন খান বলেন, বিষয়টি শুনার পরপরই সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থলে পুলিশ তদন্ত করছে। নিহত শিশুর লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য যশোর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিস্তারিত পরে জানা যাবে।

