হুমায়ুন কবির কালীগঞ্জ(ঝিনাইদহ)প্রতিনিধিঃ
কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে রাজস্ব বাজেটের আওতায় রবি,খরিপ-১ ও খরিপ-২ মৌসুমের প্রকল্পে আন্তঃ পরিচর্যা বাবদ রাজস্ব খাতের কৃষকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ বিভিন্ন গণমাধ্যমে ফলাও করে প্রকাশিত হয়। তখনই তড়িঘড়ি করে তিনি কৃষকদের নিকট থেকে কেটে রাখা একশ টাকা ফেরত দিতে শুরু করেন বলে জানা যায়। গত বৃহস্পতিবার থেকে কৃষকদের এ টাকা ফেরত দেওয়া শুরু হয়েছে। কালিগঞ্জ কৃষি অফিসের অফিস গার্ড মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান জানান, গত বৃহস্পতিবার(২৮ জুলাই) সকালে স্যার আমাকে ২৪৩ জনের একশ টাকা করে ফেরত দেয়ার জন্য টাকা দিয়ে উপজেলার পাশে রনির দোকানে পাঠান। আমি তার হাতে টাকা দিয়ে চলে এসেছি। সে পর্যায়ক্রমে কৃষকদের একশ টাকা করে দিয়ে দেবে মোবাইল একাউন্টে। নিমতলা বাসস্ট্যান্ডের রনি টেলিকমের স্বত্বাধিকারী রনি জানান, কৃষি অফিস থেকে এসে মাসুদ ভাই টাকা দিয়ে গেছেন।ইতিমধ্যে আমি একশ জন কৃষককে টাকা পাঠিয়েও দিয়েছি। পর্যায়ক্রমে বাকি কৃষকদের টাকাও তাদের মোবাইলে চলে যাবে। উল্লেখ্য, কালীগঞ্জ উপজেলার
প্রান্তিক কৃষকের ধান,সরিষা ও ভুট্টা পরিচর্যা বাবদ ১৫শত টাকা দেওয়ার কথা থাকলেও কৃষকের মাঝে ১৪শত টাকা বিতরনের অভিযোগ উঠে। এ সংবাদ প্রকাশ হলে বাধ্য হয়েই কৃষি কর্মকর্তা কৃষকের টাকা ফেরত দিলেন। কিন্তু অসৎ উদ্দেশ্যে কৃষকের এই টাকা যিনি কেটে রাখলেন তার বিরুদ্ধে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্তা ব্যক্তিগণ এখনো কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করলেন না।তাহলে কৃষকের পাওনা টাকা আত্মসাৎ এর সাথে জড়িতরা কি আদৌ আইনের আওতায় আসবে? এই প্রশ্ন এখন জনমনে।

