কেশবপুর প্রতিনিধি: ঐতিয্যবাহী ভালুকঘর ডিগ্রি ফাযিল মাদ্রসার ভাইস প্রিন্সিপাল মাওলানা আব্দুল হাই সিদ্দিকীর দ্বিতীয় মৃত্যু বার্ষিকী আজ। তিনি গত ২০২০ সালের ৪ টা আগষ্ট যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন। তার এই অকাল মৃত্যুতে গোটা এলাকায় নেমে আসে শোকের ছায়া।
মাওলনা আব্দুল হাই ভালুকঘর আজিজিয়া ফাযিল মাদ্রাসার আরবী প্রভাষক হিসেবে চাকরিতে যোগদান করেন। এরপর সহকারী অধ্যাপক, পরবর্তীতে উপাধ্য , এবং ( অধ্য ভারপ্রাপ্ত ) পদে ২৮ বছরের ঊর্ধ্বে ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে শিার আলো ছড়িয়ে গেছেন। তিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ভালুকঘর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব ছিলেন।
মাওলানা আব্দুল হাই সিদ্দিকী ১৯৬৫ সালের ১ জানুয়ারী যশাের জেলার কেশবপুর উপজেলার ভালুকঘর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা ছিলেন অত্র এলাকার সুপরিচিত ভালুকঘর মাদ্রসার প্রতিষ্ঠাতা আল হাজ¦ রফিউদ্দীন দপ্তরী। মাতা শহরজান বেগম। ৪ ভাই বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন জেষ্ঠ্য।
শিাজীবন তিনি ১৯৭৭ সালে মাদ্রাসা বোর্ড থেকে দাখিল, ১৯৭৯ সালে আলিম, ১৯৮১ সালে ফাযিল এবং ১৯৮৭ সালে হাদিসের উপর কৃতিত্বে সাথে কামিল পাশ করেন।
পরবর্তিতে দণি বঙ্গের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ এম এম কলেজ থেকে ১৯৯৪ সালে ¯œাতক এবং ১৯৯৭ সালে ঐতিহ্যবাহী বিএল কলেজ থেকে প্রথম শ্রেণীতে মার্স্টাস ডিগ্রি অর্জন করেন।
সর্বশেষ ২০০২ সালে ফিকাহ শাস্ত্র নিয়ে কামিল পরীক্ষা দিয়ে (যেটি আরবি লাইনের সবথেকে জটিল বিষয় হিসেবে পরিচিত) প্রথম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হন। তার শিক্ষা এবং কর্মজীবন ছিল বর্ণাঢ্য। তবে জীবনের প্রতিটাঘাতে তাঁকে অনেক ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে।
মাওলানা আব্দুল হাই সিদ্দিকীর ২য় মৃত্যু বার্ষিকী উপল্েয পরিবার ও আব্দুল হাই সিদ্দিকী স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল সহ পৃথক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে।

