ফারুক রহমান, সাতক্ষীরা:
সরকারি খাসজমি জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যক্তি মালিকানায় নামপত্তন করার অভিযোগে দায়ের করা দুটি মামলায় সাতক্ষীরার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের আটকর্মচারিসহ ১১ জনের প্রত্যেককে সাত বছর করে সশ্রম কারাদন্ড, ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা ও অনাদায়ে আরো ৬্ছয় মাসের কারাদন্ডের রায় দিয়েছেন আদালত।
রবিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) খুলনা বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক ড.
ওয়াহিদুজ্জামান শিকদার এ রায় প্রদান করেন এ সময় আদালতের কাঠগোড়ায় ১০জন
ওয়াহিদুজ্জামান শিকদার এ রায় প্রদান করেন এ সময় আদালতের কাঠগোড়ায় ১০জন
আসামী উপস্থিত ছিলেন।
স্পেশাল ২৮/১৭ মামলায় সাজাপ্রাপ্ত আসামীরা হলেন, সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ভূমি শাখার উচ্চমান সহকারি ও রেকর্ড কিপার পুতুল রানী বৈরাগী, রেকর্ড রুমের অফিস সহকারি শ্যামল কুমার আচার্য, রেকর্ড
রুমের সার্টিফিকেট অফিসার মোঃ সামছুজ্জামান, মুদ্রাক্ষরিক বেগম জেসমিন
নাহার, অফিস সহকারি আফছারউদ্দিন, শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য লক্ষ্মীখোলা গ্রামের আব্দুল মজিদ সরদার (পলাতক), ওয়াজেদ সরদার ও
রুমের সার্টিফিকেট অফিসার মোঃ সামছুজ্জামান, মুদ্রাক্ষরিক বেগম জেসমিন
নাহার, অফিস সহকারি আফছারউদ্দিন, শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য লক্ষ্মীখোলা গ্রামের আব্দুল মজিদ সরদার (পলাতক), ওয়াজেদ সরদার ও
মোহাম্মদ আলী সরদার।
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর আইনজীবী অ্যাড. মজিবর রহমান জানান, সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নে সরকারি খাসজমি জালিয়াতির মাধ্যমে ব্যক্তি মালিকানায় নামপত্তন করার অভিযোগে ২০১৭ সালে আসামীদের বিরুদ্ধে দন্ডবিধি ১০৯, ৪০৯ ও ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি দমন আইনের
৫(২) ধারায় সিআইডি পুলিশের উপ-পরিদর্শক মোস্তফা আব্দুল হালিম মামলা করেন।
পরে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর তদন্ত কর্মকর্তা খুলনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-সহকারি পরিচালক এবিএম আব্দুস সবুর আসামীদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
৫(২) ধারায় সিআইডি পুলিশের উপ-পরিদর্শক মোস্তফা আব্দুল হালিম মামলা করেন।
পরে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর তদন্ত কর্মকর্তা খুলনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-সহকারি পরিচালক এবিএম আব্দুস সবুর আসামীদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
এছাড়াও একই দিনে সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার সরকারি সম্পত্তি
আত্মসাতের অভিযোগে সহযোগিতা করায় অভিযোগে দায়েরকৃত স্পেশাল ১১/১৭নং
মামলায় আলাদা আসামী শামীমা আক্তার, শ্যামল কুমার আচার্য, জেসমিন নাহার,
সেলিমা সুলতানা, আফসার উদ্দিন ও হোসেন আলীকে সাত বছর সশ্রম কারাদন্ড
ও প্রত্যেকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরো ৬ মাসের বিনাশ্রম
কারাদন্ডের রায় প্রদান করেছেন আদালত।
খুলনা আদালতের পুলিশ পরিদর্শক আব্দুস সালাম জানান, সাজাপ্রাপ্ত ১০ জন
আসামীকে রবিবার বিকেলে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। বিচারাধীন এই দুটি মামলার
আসামী মাহবুবর রহমান ইতিমধ্যে মৃত্যুবরণ করেছেন। একজন আসামী মামলার কার্যক্রম উচ্চ আদালতে স্থগিত করেছেন। দুটি মামলায় আদালত ১১ জন আসামীর প্রত্যেকে সাত বছর করে স্বশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা প্রদানের রায় দিয়েছেন। #
আত্মসাতের অভিযোগে সহযোগিতা করায় অভিযোগে দায়েরকৃত স্পেশাল ১১/১৭নং
মামলায় আলাদা আসামী শামীমা আক্তার, শ্যামল কুমার আচার্য, জেসমিন নাহার,
সেলিমা সুলতানা, আফসার উদ্দিন ও হোসেন আলীকে সাত বছর সশ্রম কারাদন্ড
ও প্রত্যেকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরো ৬ মাসের বিনাশ্রম
কারাদন্ডের রায় প্রদান করেছেন আদালত।
খুলনা আদালতের পুলিশ পরিদর্শক আব্দুস সালাম জানান, সাজাপ্রাপ্ত ১০ জন
আসামীকে রবিবার বিকেলে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। বিচারাধীন এই দুটি মামলার
আসামী মাহবুবর রহমান ইতিমধ্যে মৃত্যুবরণ করেছেন। একজন আসামী মামলার কার্যক্রম উচ্চ আদালতে স্থগিত করেছেন। দুটি মামলায় আদালত ১১ জন আসামীর প্রত্যেকে সাত বছর করে স্বশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা প্রদানের রায় দিয়েছেন। #

