শনিবার, ১৭ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৮শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

বাফার গুদামে ভেজাল টিএসপি সার দুই পরিবহন ঠিকাদারকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট

আরো খবর

নিজস্ব প্রতিবেদক:
চট্টগ্রামের উত্তর পতেঙ্গার টিএসপি কমপ্লেক্স থেকে সরবরাহকৃত যশোরের বাফার গোডাউনে জমা দেয়া ভেজাল টিএসপি সারের মামলায় দুই পরিবহন ঠিকাদার মালিককে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দিয়েছে পুলিশ। মামলার তদন্ত শেষে আদালতে এ চার্জশিট জমা দিয়েছেন কোতয়ালি থানার এসআই এজাজুল হক।
অভিযুক্ত আসামিরা হলো, চট্টগ্রামের ২৮/৮ স্ট্যান্ড রোড মাঝিরঘাট এলাকার মেসার্স সৈয়দ এন্টারপ্রাইজের প্রোপাইটার আব্দুর রাজ্জাক মিয়ার ছেলে আহসান হাবিব ও সন্দিপের নাজিরহাট বাউরিয়া এলাকার গোলাম মোস্তফার ছেলে ইব্রাহিম হয়দার।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, চট্টগ্রাম শিল্প মন্ত্রনালয়ের অধিন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের (বিসিআইসি) নিয়ন্ত্রনে টিএসপি সার উৎপাদিত হয়। এ সার পরিবহন ঠিকাদারের মাধ্যমে সারা দেশের বাফার গোডাউনে পাঠানো হয়ে থাকে। আসামিরা গত ১৫ মার্চ বিসিআইসি থেকে ২৪১ মেট্রিকটন টিএসপি সার উত্তোলন করে এবং তা ১৭টি ট্রাকের মাধ্যমে দুইদিন যশোরে নিয়ে আসেন। যশোর সদর উপজেলার বাহাদুরপুর পাঁচবাড়িয়ায় বাফার গোডাউনে নিয়ে যাওয়া হয়। ট্রাক থেকে সার আনলোড করার সময় প্রতিটি বস্তার মুখ দ্বিতীয়বার সেলাই করা বলে সন্দেহ হয় বাফার গোডাউনের ইনচার্জ আক্তারুজ্জামানের । এ সময় তিনি ট্রাক থেকে সার আনলোড বন্ধ করে ছয়টি ট্রাকের নমুনা সার সংগ্রহ করে পরীার জন্য ঢাকার রাসায়নিক পরীাগারে পাঠান। পরীা শেষে দেখা যায় ওই ৬টি ট্রাকে সব সার ভেজাল । আসামিদ্বয় ৯২ লাখ ৯৫ হাজার টাকার ১শ’৪৩ মেট্রিক টন আসল সার বদল করে নকল সার বস্তায় ঢুকিয়ে তা যশোরের গুদামে নিয়ে আসে। এ ঘটনায় টিএসপি কমপ্লেক্সের উপ-মহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্যিক) মোহাম্মদ সোলায়মান গত ২৭ মার্চ ওই দুইজনকে অভিযুক্ত করে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। এ মামলার তদন্ত শেষে সারের নামুনা পরীার ফলাফল ও সাীদের বক্তব্যে ঘটনার সাথে জড়িত থাকায় ওই দুইজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে এ চার্জশিট জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। চার্জশিটে অভিযুক্ত দুইজনই জামিনে আছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। #

আরো পড়ুন

সর্বশেষ