শনিবার, ১৭ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৮শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯: পাকিস্তান সফরে সেঞ্চুরি করলেন যশোরের সাকিব

আরো খবর

 

একাত্তর ডেস্ক: পাকিস্তানের বিপে সিরিজ খেলতে গত সপ্তাহে দেশ ছেড়েছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল। সফরে একটি চার দিনের ম্যাচ ছাড়াও দুটি করে ৪৫ ওভারের ম্যাচ এবং টি-টোয়েন্টি খেলা হবে। সোমবার চারদিনের ম্যাচটি নিষ্প্রাণ ড্রয়ে নিষ্পত্তি হয়েছে।

প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ব্যাটিং ভালো না হলেও দ্বিতীয় ইনিংসে শাহরিয়ার সাকিবের সেঞ্চুরি এবং জিসান ও জেমসের জোড়া হাফসেঞ্চুরিতে ম্যাচটি ড্র করেছে সফরকারীরা।

চতুর্থদিন সকালে ৪১১ রানের বিশাল ল্েযর বিপরীতে ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। কিন্তু ৬ উইকেট হারিয়ে ৩৫৭ রান তুলতেই চতুর্থ দিন ফুরিয়ে গেছে। ফলে ম্যাচটি নিষ্প্রাণ ড্রয়ে শেষ হয়েছে। প্রথম ইনিংসে ৯ রানে আউট হওয়া শাহরিয়ার সাকিব এদিন সেঞ্চুরি পেয়েছেন। ২৯৫ বলে ২১ চারে জুনিয়র সাকিব নিজের ১৩৪ রানের ইনিংসটি খেলেছেন। এছাড়া জিসান আলমের ব্যাট থেকে আসে ৮১ এবং শিহাব জেমসের ব্যাট থেকে ৮৫ রানের ইনিংস।

টস জিতে ব্যাটিং করতে নেমে বাংলাদেশের বোলারদের তোপে পাকিস্তানের প্রথম ইনিংস ২২৪ রানে থেমে গেছে। সর্বোচ্চ ৪৩ রান আসে মোহাম্মদ জুলফিকালের ব্যাট থেকে।

রোহানাথ বর্ষণ সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া মারুফ মৃধা ও জিসান আলম নিয়েছেন দুটি করে উইকেট।

স্বাগতিকদের ২২৪ রানে আটকে দিলেও বাংলাদেশ দল লিড নিতে পারেনি। ১৬১ রানে অলআউট হয়েছে সফরকারীরা। দলের ওপেনার চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান সর্বোচ্চ ৪০ রানের ইনিংস খেলেন। এছাড়া বর্ষণ অপরাজিত ২৩ রানের ইনিংস খেলেছেন।

পাকিস্তানের বোলারদের মধ্যে আব্দুল বাসিত সর্বোচ্চ তিনটি উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া মোহাম্মদ ইবতিসাম, আফতাব ইব্রাহিম ও আলী আসফান্দ দুটি করে উইকেট নিয়েছেন।

৬৩ রানে এগিয়ে থেকে পাকিস্তানের যুবারা নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে রানের পাহাড় গড়ে। ওয়াজ রিয়াজ ও সাদ বেগের জোড়া সেঞ্চুরিতে ৭৯.১ ওভারে ৩৪৭ রানে অলআউট হয় তারা। ওয়াজ রিয়াজ ২৩০ বলে ১০ চার ও ৫ ছক্কায় ১১৭ রানের ইনিংস খেলেছেন। সাদ বেগ খেলেছেন ২০৯ বলে ১৮ চার ও ১ ছক্কায় ১১৭ রানের ইনিংস। হাসিব নিজামের ব্যাট থেকে এসেছে ৫৩ রান।

বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে শিহাব জেমস ২৪ রানে সর্বোচ্চ চারটি উইকেট নিয়েছেন। এছাড়া মাহফুজুর রহমান ও রোহানাথ বর্ষণ দুটি করে উইকেট নিয়েছেন।

সাকিব যশোর শহরের কাজীপাড়া কাঁঠালতলা এলাকার বাসিন্দা রুহুল আমিন ও সানজিদা বেগমের ছেলে। সাকিবের বাবা রুহুল আমিন শহরের চুয়াডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডের ুদ্র ব্যবসায়ী। আর মা সানজিদা বেগম গৃহিণী। ২০১৩ সালে চাচা রাতুল ইসলামের হাত ধরে ক্রিকেটে যাত্রা শুরু সাকিবের।

এর আগে বেশ কয়েকবার বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দলের প্রাথমিক দলে সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। বাছাই পেরিয়ে পরের ধাপেও সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু চূড়ান্ত দলে সুযোগ পাচ্ছিলেন না। অবশেষে এবার সাকিব চূড়ান্ত দলে সুযোগ পেয়েছেন।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ