বিশেষ প্রতিনিধি
সন্ত্রাসী হামলায় আহত যশোর জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আসাদুজ্জামান আসাদ ওরফে বুনো আসাদ চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। সোমবার বেলা ১২টার দিকে তিনি ঢাকা মেডিকেলে মারা যান তিনি। নিহতের স্বজনদের দাবি ৮০ লাখ টাকার একটি মামলার জেট ধরে নিজ দলীয় লোকজনের হাতেই খুন হয়েছেন তিনি। এদিকে এই ঘটনা ইতিমধ্যে দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহতের স্বজনরা জানান, গত ৮ অক্টোবর সন্ধ্যারাতে বেজপাড়া সাদেক দারোগার মোড়ে আসাদকে ছুরিকাঘাত করে চিহিৃত সন্ত্রাসীরা। তাকে প্রথমে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছিল। সোমবার বেলা ১২টার দিকে তাকে অপারেশন করার সময় তিনি মারা যান। স্বজনদের দাবি তাদের পূর্ব পরিচিত চট্টগ্রামের কাস্টমস কর্মকর্তা উপল মুখার্জি কানুর বিরুদ্ধে দায়ের করা ৮০ লাখ টাকার একটি মামলার জের ধরে খাবড়ি হাসান, আকাশ, চঞ্চল ও বিপ্লবের হাতে খুন হয়েছেন তিনি। তারা এই হত্যাকা-ের জড়িত সকলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এদিকে কোতোয়ালি থানার ওসি তাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, হামলার ঘটনার পরের দিনই আসাদের ভাই সাইদুর রহমান বাদী হয়ে চারজনের নাম উল্লেখ করে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন। এর মধ্যে দুইজনকে আটক করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরিত হবে এবং অন্য আসামীদের ধরতে অভিযান চলছে। তবে এ বিষয়ে ক্যামেরার সামনে বক্তব্য দিতে রাজি হননি তিনি।
নিহত আসাদ যশোর শহরের বেজপাড়া বনানী রোডের বাসিন্দা। তিনি জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক।#
সন্ত্রাসী হামলায় আহত স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা আসাদের মৃত্যু

