শনিবার, ১৭ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ, ২৮শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

মানুষের বাধভাঙ্গা জোয়ার

আরো খবর

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: বেলা ১১ টা বাজার আগেই লোকে লোকারন্য হয়ে যায় গোটা যশোর শহর। মিছিলে মিছিলে মুখরিত হয় রাজ পথ। ফেস্টুন ব্যানার এবং ঢাক ঢোল বাজিয়ে দলে দলে আসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জনসভায়। প্রান্তিক মানুষের বাধভাঙ্গা জোয়ারে অন্যরকম এক উসব নগরিতে পরিনত হয় যশোর। বঙ্গবন্ধু তনায় দেশ রতœ শেখ হাসিনাকে এক নজর দেখার জন্য অনেকে ফজরের নামাজ পড়ে পায় হেটে চলে আসেন জনসভায় যোগ দিতে।
৮০ সিসির মোটরসাইকেলের ওপর বাঁশ-কাঠের নৌকার ফ্রেম বসিয়ে বুধবার দুপুরে যশোরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন মাগুরার শালিখা উপজেলার সরশুনা গ্রামের শেখ শহর আলী। যশোর শহরের রাস্তায় নৌকা চলতে দেখে অবাক হয়ে তাকাচ্ছিলেন পথচারীরা। ভট ভট শব্দ করে এক পাশ দিয়ে চলছিল নৌকাটি। যশোর জেলা শহরে প্রধানমন্ত্রীর জনসভা উপলে এসে ছিলেন তিনি।

ঢাকা থেকে এসে মোহাম্মদ আলী বুকে সেঁটে রেখেছেন একটি বার্তা, ‘জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার আগামী সংসদ নির্বাচনে দলমত নির্বিশেষে সবার অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন উপহার দিতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ’। ঘুরছেন যশোর শহরের বিভিন্ন রাস্তায়। তার মাথায় রয়েছে ছোট্ট একটি নৌকা। তার উপরে রয়েছে বাংলাদেশের পতাকা। ১৬ কোটি মানুষের কাছে আমার একটিই চাওয়া, জননেত্রী শেখ হাসিনার নৌকা মার্কাকে বিজয়ী করে উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখুন।’

স্বপ্নের পদ্মা ও কালনা সেতু চালু হওয়ায় দণি-পশ্চিমাঞ্চলের যোগাযোগে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। এর ফলে যশোরসহ এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক, সামাজিক অবস্থা এবং মানুষের জীবনযাত্রায় উন্নয়ন ঘটেছে। এ উন্নয়ন ও দিন বদলের নেতৃত্ব দেওয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বরণ করতে এবং তার মুখে আগামীর বার্তা শুনতে দুরদুরান্ত থেকে জনসভায় আসা মানুষ। করোনা পরবর্তী দীর্ঘ ৫ বছর পর এই প্রথম যশোরে আসলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর এই আগমনকে ঘিরে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে দলীয় নেতা কর্মীর পাশা পাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে সৃস্টি হয় বিপুল উৎসাহ উদ্দিনা।
১৯ ৭২ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু যে স্টেডিয়ামে ভাষন দিয়েিেছলেন। ৫০ বছর পর গতকাল সেই ষ্টেডিয়ামে বক্তব্য রাখেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আরো পড়ুন

সর্বশেষ