একাত্তর প্রতিবেদক
ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান বলেছেন, দেশ ও জাতিকে যারা বিপন্ন করবে তাদের কোন ক্ষমা নেই। বঙ্গবন্ধু’র আদর্শ নিয়ে দেশ দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাবে। ধর্মকে পুঁজি করে যারা দেশে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করবে তাদের রক্ষা নেই। সে যে দলেরই হোক না কেন সবার জন্য ন্যায্য বিচার করা হবে। ধর্মভিত্তিক রাজনীতিতে বিস্ফোরণের কোন সুযোগ দেয়া হবে না। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যেন কোন প্রকার ধর্মীয় সহিংসতা না হয় সেদিকে সরকার তৎপর রয়েছে। ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়িকারীদের কোন রেহায় দেয়া হচ্ছে না। মঙ্গলবার (১৬ নভেম্বর) যশোর কালেক্টরেট সভাকক্ষে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সচেতনতামূলক আন্তঃধর্মীয় সেমনিারে প্রধান অতিথি হিসেবে তিনি এ কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ধর্মীয় সন্ত্রাসদের কোন ছাড় হবে না। সেখানে মামলা হয়েছে তা দ্রুত বিচারের ব্যবস্থা করা হবে। ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারগুলোর পাশে সরকারের পক্ষ সর্বোচ্চ সহযোগিতা করা হবে।
তিনি আরো বলেন, ১০ ট্রাক অস্ত্র, ৬৪ জেলায় একযোগে বোমা হামলা, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা ঘটিয়েছিল তারাই ধর্মীয় সহিংসতা চালাচ্ছে। তারা দেশ ও জাতির কখনো ভাল চায় না। দেশে সব সময় ধ্বংসলীলা করতে চায়। মানুষ ওদের চরিত্র সর্ম্পকে অবগত। তাই ওদের আর রাষ্ট্র ক্ষমতায় আনতে চায় না। দেশের উন্নয়নের জন্য সবাই শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ।
সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টচার্য।
জেলা শিশু কর্মকর্তা সাধন কুমার ঘোষের সঞ্চলনায় বক্তব্য রাখেন সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মনিরুল ইসলাম মনির, যশোর পৌরসভার মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার গণি খান পলাশ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম, ঝিকরগাছা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমা খানম, প্রেসক্লাব যশোরের সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, সম্পাদক এস এম তৌহিদুর রহমান, জেলা ইমাম পরিষদের সভাপতি আনোয়ারুল করীম, সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন, যশোর রামকৃষ্ণ আশ্রম ও মিশনের অধ্যক্ষ জ্ঞানপ্রকাশনন্দী, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অসীম কুন্ডু, প্রথম আলো’র জেলা প্রতিনিধি মনিরুল ইসলাম ও যুগান্তরের ব্যুরো প্রধান ইন্দ্রজিত রায়।

